ভিনদেশি ৩ জন :চক্ষু বিশেষজ্ঞ
প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০১৩, ২০:১৯
অ্যা লে ক্সা
লার্নভেস্ট ফাউন্ডেশনের সিইও। এই অরগানাইজেশনের মূল উদ্দেশ্য হলো সেইসব মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া যারা আর্থিকভাবে অক্ষম। বিশেষ করে সেইসব অসহায় মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে যারা নিজেদের চিকিত্সা করানোর মতো অর্থ যোগাতে পারে না। এই মহত্ উদ্দেশ্য নিয়ে সাহসের সাথে সামনে এগিয়ে এসেছেন অ্যালেক্সা নামের এই তরুণী। তিনি একজন নতুন ডাক্তার, কিছুদিন আগে পড়াশোনা শেষ করেছেন। কোনো হাসপাতালের সাথে যুক্ত না হয়ে নিজ উদ্যোগে শুরু করেছেন সমাজ সেবামূলক এই কাজটি। এরই মাঝে তারই উদ্যোগ বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলে দিয়েছে। এখন অনেক সহূদয়বান তার এই উদ্যোগের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন।
===
রে বে কা
আমেরিকার ছোট্ট একটি শহর বাল্টিমোর। বলা হয় এখানকার হাসপাতালের সেবার মান বিশ্বের যেকোনো হাসপাতালের চেয়ে বেশি। বাল্টিমোরেরই একটি হাসপাতালের নাম—জন হপকিন্স হসপিটাল। এখানে আমেরিকার সবচেয়ে ভালো ডাক্তারা কাজ করেন। চিকিত্সা সেবায় হাসপাতালটির সাফল্যের অন্যতম কারণ হলো এখানে সেরা ডাক্তারদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়। খুব অল্প বয়সে সেরা ডাক্তারদের তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন রেবেকা। ২০১০ সালে ডাক্তারদের র্যাংকিংয়ে তিনি ছিলেন প্রথম দশজনের একজন। তার নানা কর্মকাণ্ডের কারণে টিভি নিউজেও ঠাঁই পেয়েছে। এর ফলে হপকিন্স হাসপাতালে চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন।
===
জ ন ডো নে ন ফি ল্ড
স্পোরাউটার হাতপাতালের এক তরুণ চক্ষু বিশেষজ্ঞ জন। মাত্র ৩১ বছর বয়সেই খ্যাতিমান হয়ে ওঠেন তার গবেষণার জন্য। তিনি আর্টিফিশিয়াল বায়োনিক আর্মস নিয়ে কাজ করতে চাইলেও, ভাগ্যের ফেরে আই স্পেশালিস্ট তালিকায় নাম লেখান। অবশ্য পরে এই কাজে তিনি বেশ সাফল্য দেখিয়েছেন। বেশ কয়েকবার টাইমসের পাতায় তার নাম এসেছিল। তিনি একটি ওয়েবসাইটও পরিচালনা করেন যেখানে চোখের চিকিত্সা নিয়ে বেশকিছু তথ্য রয়েছে, যা তিনি নানা গবেষণা করে পেয়েছেন। এ ছাড়াও এখানে চোখের যেকোনো সমস্যার সমাধান তিনি বিনামূল্যে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তিনি অনলাইনে ইমেইলের মাধ্যমে এই কাজটির তত্ত্বাবধান করেন। জনের এই সাইটটি শুরু থেকেই বেশ জনপ্রিয়।