ভিনদেশি ৩ জন

অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার

ল্যা নি তাকে আমেরিকান একজন অ্যান্ড্রয়েড এক্সপার্ট কিংবা বলা যায় অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার। পেশায় একজন ওয়েব ডেভেলপার। সেই সাথে একজন উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারী হিসেবেও পরিচিত তিনি। তবে এসব দিক দিয়ে নয়, ল্যানি মূলত সকলের কাছে সুপরিচিত অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মের কারণে। এ প্ল্যাটফর্মের কথা কমবেশি আমরা সকলেই জানি। ন্যাপস্টার নামক সাইটটির ডেভেলপার হিসেবেও একনামে সকলে চেনে তাকে। ন্যাপস্টার জনপ্রিয় কিছু ওয়েবসাইটের তালিকায় প্রথমে আসে। এটাই প্রথম পিয়ার টু পিয়ার (পি টু পি) ফাইল আদান-প্রদানের প্ল্যাটফর্ম। ১৯৯৮ সালে এ সাইটটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে অনলাইন জগতে। সেসময় এ সাইটটির জনপ্রিয়তা এত বেড়ে গিয়েছিল যে, ল্যানিংয়ের নাম টাইমস ম্যাগাজিনের শীর্ষ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় চলে আসে। ফি লি প বিখ্যাত কোম্পানি ভিয়াকমের প্রেসিডেন্ট ও আইটি স্পেশালিস্ট হলেন ফিলিপ। একদিনে এই পদে আসেননি তিনি। তাকে করতে হয়েছে নানা প্রতিকূলতার সাথে সংগ্রাম ও সমঝোতা। ২০০৬ সালে তিনি প্রথম এই কোম্পানিতে আসেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এ কোম্পানির তিনিই হলেন সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি চেয়ারম্যান। এর আগে ২০০০ সাল থেকে তিনি ভিয়াকমের মেম্বার হিসেবে ছিলেন। এরপর হঠাত্ করেই তার সামনে সুযোগটি চলে আসে। সেই সুযোগের হাত ধরে তিনি আজ বর্তমানের সফল একজন সিইও। তিনি মাঝে কোম্পানির হিউম্যান রিসোর্স বিভাগটিও দেখাশোনা করতেন। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি সিবিএস কর্পোরেশন কিনে নেন। ভিয়াকমের সাথে সুক্ত হয়ে তিনি বেশ কিছু কাজ করেছেন, যার কারণে সকলে তাকে স্মরণ রাখবেন যুগ যুগ ধরে। তবে শুধু পরিচালনায়ই নয়, তিনি পরিচিত অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার হিসেবেও। ফ্রা ন সি স এই তরুণ একজন অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি অ্যান্ড্রয়েড কোম্পানির সাথে কাজ করছেন বহু বছর ধরে। একই সাথে তিনি এই কোম্পানির একজন বোর্ড অব ডিরেক্টর। এর আগে তিনি এই কোম্পানিতেই একজন কর্মচারী হিসেবে ছিলেন। ২০০৭ সালে তাকে বোর্ড অব ডিরেক্টরের আসনে বসানো হয়। সেই সাথে তিনি তার আগের পোস্টটিও বজায় রেখেছেন। চিফ অপারেটিং অফিসার হিসেবেও কাজ করে চলেছেন তিনি। তাদের কোম্পানির কাজ হলো প্রধানত ডেভেলপমেন্টের বাগ রিপোর্ট চেক করা। এই বাগ চেক করতে গিয়ে যত সমস্যা পান সেগুলোর সমাধান করে দেওয়া। ফ্রানসিসের ছেলেবেলাটি কেটেছে খুব দারিদ্রতার ভেতর। তবে তিনি খুব দৃঢ় প্রত্যয়ী ছিলেন। এই দৃঢ় প্রত্যয়ই তাকে একজন সফল অ্যান্ড্রোয়েড ডেভেলপার হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।