তারুণ্যের অন্যলোক

প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ প ড়া র ব ই জিম্বাবুয়ে বোবা পাথর সালানিনি লেখক :মঈনুস সুলতান বইয়ের কথা :জিম্বাবুয়েতে কৃষ্ণাঙ্গ শাসন জোরদার হলে বহু শ্বেতাঙ্গকে তাদের জায়গাসম্পত্তি থেকে উত্খাত করা হয়। সে রকম একজন শ্বেতাঙ্গ চাষির পোড়ো বাংলোয় লেখকের দেখা হয় বিলাতের মেয়ে। বিচিত্র অভিজ্ঞতা আর তখনকার গৃহযুদ্ধের পটভূমিকায় লেখক জিম্বাবুয়ের যে চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরেন, তার ভেতর দিয়ে আফ্রিকার ওই অঞ্চলের মানুষের প্রবণতা, তাদের দুঃখ-কষ্ট ও সংগ্রামের রূপরেখা আমাদের সামনে মূর্ত হয়ে ওঠে। কেন পড়বেন :একজন ভিনদেশি পর্যটকের চোখে দেখা ছোট ছোট খণ্ডচিত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে ‘জিম্বাবুয়ে বোবা পাথর সালানিনি’ বইটি। প্রচলিত ভ্রমণকাহিনির মতো না লিখে লেখক ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে ভাগ করে এর বিভিন্ন সময়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন বইটিতে। == দে খা র ছ বি অ্যান্টিট্রাস্ট ছবির কথা :ওপেনসোর্স জগতের সাথে অর্থলোলুপ প্রযুক্তি ব্যবসায়ীদের দ্বৈরথ, জ্ঞানকে কুক্ষিগত করে রেখে বিত্তের জন্য মানুষ, একদল নামীদামি প্রভাবশালী তথাকথিত সফ্টওয়্যার জায়ান্টরা যে কতটা পিশাচ আর বিবেকবর্জিত হতে পারে, ছবিটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। একদল অসম্ভব প্রতিভাবান তরুণ কম্পিউটার প্রোগ্রামার। যারা মুক্তসোর্সে বিশ্বাসী, বিশ্বাসী জ্ঞানকে পুরো পৃথিবীটার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে। সবকিছু কিনে নিতে, প্রযুক্তি, সম্ভাবনা আর জ্ঞানকে নিজেদের ব্র্যান্ডের মোড়কে পুড়ে একচেটিয়া ব্যবসা করে যেতে। কেন দেখেবেন :ছবিটার কনসেপ্টটা অসাধারণ, অনেকটাই কম্পিউটার জগতকে নিয়ে, ক্যাটেগরি হিসেবে এটি থ্রিলার টাইপ ছবি, যে কারোরই ভালো লাগবে। === ফ্যা শ ন সানগ্লাস প্রখর রোদে একটা ভালো রোদচশমা চোখকে অনেকটাই আরাম দিতে পারে। এটা শুধু রোদ থেকে চোখকে রক্ষা করে না, বরং চোখের চারপাশে সহজে বলিরেখা পড়তে দেয় না। দিনের বেলায় বাইরের বেশি আলো থেকে চোখকে সুরক্ষা দিতে সানগ্লাস ব্যবহার অবশ্যই ভালো। এ ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহী ও যারা অধিক সময় বাইরে চলাফেরা করেন তাদের জন্যও সানগ্লাস ব্যবহার উপকারী। আর প্রয়োজনের পাশাপাশি মুখের গড়নের সঙ্গে মানানসই রোদচশমা তো এখন ফ্যাশন ট্রেন্ড। এজন্য বাজারের চশমার দোকানগুলোয় পাওয়া যায় হাজার রকমের ডিজাইন করা বাহারি সব সানগ্লাস। বড় বড় দোকান থেকে শুরু করে ছোট ছোট চশমাঘরে চোখে পড়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের, বিভিন্ন ডিজাইনের রোদচশমা। রাজধানীর ছোট-বড় প্রায় সব মার্কেটেই ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ডের সানগ্লাস পাবেন। এ ছাড়া নিউ মার্কেটে ও নীলক্ষেতে পাবেন নানা ডিজাইনের নন-ব্র্যান্ড সানগ্লাস। === গু ণী জ ন কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়/পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।’ এ ধরনের অসংখ্য অসাধারণ কবিতার স্রষ্টা সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি। ১৯৪৪ সালে তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকায় তার আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে। তার রচনাবলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো :‘ছাড়পত্র’ (১৯৪৭), ‘পূর্বাভাস’ (১৯৫০), ‘মিঠেকড়া’ (১৯৫১), ‘অভিযান’ (১৯৫৩), ‘ঘুম নেই’ (১৯৫৪), ‘হরতাল’ (১৯৬২), ‘গীতিগুচ্ছ’ (১৯৬৫) প্রভৃতি। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তার কবিতার প্রধান বিষয়বস্তু। পার্টি ও সংগঠনের কাজে অত্যধিক পরিশ্রমের ফলে দুরারোগ্য ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ১৯৪৭ সালের ১৩ মে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।