প্রজন্মের ভিনদেশি

ভিনদেশি ৩ জন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংকে এক কথায় ফিজিক্স, মেরিটাল সায়েন্স ফর অ্যানালাইসিস, ডিজাইন, ম্যানুফ্যাকচার এবং মেকানিক্যাল সিস্টেমের মেইনটেনেন্সের সমন্বয় বলা যায়। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই শাখায় বেশিরভাগ কাজই করতে হয় মেশিনারিজ নিয়ে। বলা যায়, একধরনের ইন্ডাস্ট্রি ইভোল্যুশন হলো মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। প্রতিনিয়তই উন্নয়ন ঘটছে এই হার্ডওয়্যার শিল্পের। আর এর পেছনে কাজ করছেন হাজারো তরুণ-তরুণী। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা এমন হাজারো প্রতিভাবানদের মাঝ থেকে কয়েকজনকে তুলে ধরা হলো আমাদের আজকের আয়োজনে। লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম এ মি ই য় প ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে শুরু করেন তিনি অন্যসব ছেলেমেয়েদের থেকে অনেকটা আগেই। আর সেসময় থেকেই তিনি ভাবতেন, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর ডিগ্রি নেবেন। পারিবারিক দারিদ্রতার কারণে ফটোগ্রাফি করেই তিনি পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। ফটোগ্রাফি তাকে কখনই টানেনি তাই খুব বেশিদিন এ কাজটি চালিয়ে যাননি। বরং একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে কাজ জুটিয়ে নেন। কাঙ্ক্ষিত ডিগ্রিটি অর্জন করার পর দেরি না করে প্রতিভাবান এই তরুণী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পিএইচডি করতে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসে পড়াশোনার পাঠ শেষ করেন তিনি। সেখানেই বর্তমানে চাকরি করছেন। ০০০ গি ল পা র্ক তার জন্ম সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়ায়। তিনি অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর গিল পার্ক। মাত্র ২৭ বছর বয়স তার, অথচ এরই মধ্যে অনেক বড় বড় দায়িত্ব তার ঘাড়ে চেপে বসেছে। ২০০২ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। এরপর চলে আসেন শিক্ষকতায়। সহজভাবে বলা যায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তৈরির ইঞ্জিনিয়ার। তার মতে শিক্ষকতায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তার চ্যালেঞ্জটা অনেক বেশি। এখানে নিত্যনতুন বিষয়গুলোর মুখোমুখি হতে হয়। তাছাড়া এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক গবেষণার সুযোগ রয়েছে। ফলে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে প্রয়োগের একটা চান্স থেকেই যায়। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। ০০০০ বি ল ই য় ং ইউনিভার্সিটি অব কেন্টাকিতে তিনি লেকচারার হিসেবে কাজ করছেন বেশ কয়েক বছর ধরে। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের অনেক জনপ্রিয় একজন লেকচারার তিনি। তিনি যখন মঞ্চে আসেন সবাই মন্ত্রমুগ্ধের মতো তার কথা শোনে। এমনটাই তাকে নিয়ে তার ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীদের অভিমত। পাশাপাশি ক্রিয়েশন নামের একটি কোম্পানির কাজের সাথে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জড়িত তিনি। বর্তমানে এই কোম্পানির অনেকগুলো শাখা রয়েছে। ইংল্যান্ডের হ্যাম্পটন, ওয়েস্ট মিডল্যান্ডে আরও দুটি শাখা খোলা হয়েছে এই সংস্থার। সেগুলোতেও তার ছুটে যেতে হয় দেখাশোনার জন্য। ২০০৩ সালে প্রথম এই কোম্পানিটির পদচারণা শুরু হয়েছিল। প্রথম কয়েক বছরে সেই কোম্পানি খুব শক্তিশালী একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে এশিয়ার ভেতর।