নবীনগর আওয়ামী লীগের হালচাল
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৪৬
নবীনগর পৌরসভাসহ ২১টি ইউনিয়ন নিয়ে জাতীয় সংসদের এ আসনটি। নবম সংসদ নির্বাচনে সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের কেন্দ্রিয় কার্যকরী পরিষদের সহ-সভাপতি এডভোকেট শাহ জিকরুল আহম্মদ খোকন মহাজোট থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন। আগামী সংসদ নির্বাচনে এই আসনটি মহাজোট ধরে রাখতে পারবে, না-কি ১৮ দলের দখলে চলে যাবে এ নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। সংসদ সদস্য শাহ জিকরুল আহমেদ খোকন বলেছেন তিনি আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সার্জেন্ট মরহুম মজিবুর রহমানের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা ফয়জুর রহমান বাদল নির্বাচন করবেন। এমপি তাকেই উত্তরাধিকার হিসাবে বেছে নিয়েছেন। তবে এ দু’জনের বিপরীতে আছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি এবাদুল করিম বুলবুল। তাকে সমর্থন দিচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এ.বি এম তাজুল ইসলাম।
নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নেতৃত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত। সংসদ সদস্য এডভোকেট শাহ জিকরুল আহমেদ খোকনে নেতৃত্বে একাংশ এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এ.বি এম তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে অন্য অংশ। যদিও সাংগঠনিক তত্পরতা না থাকার কারণে দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে । এই বিভাজনের মূল কারন ৮ বছর যাবত্ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত না হওয়া। মাঠ পর্যায়ে নেতা কর্মীদের দাবি কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে সম্মেলনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের নেতা কর্মিদের দিয়ে সাংগঠনিক নেতৃত্ব তৈরী করা হলে আমাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। সাবেক ছাত্রনেতা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ জিয়াউল হক সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হালিম এডভোকেট শিবসংকর দাস, জসিমউদ্দিন আহাম্মদ ও শুক্কুর খান বলেন, নিজেদের অন্তকলহ ভুলে এক সাথে কাজ করলে এখানে নৌকার বিজয় নিশ্চিত।