ডিএসই’র লেনদেন ফের তিনশ’ কোটি টাকার নিচে
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৩৯
দেড় মাস পর ফের শেয়ারবাজারের লেনদেন তিনশ’ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। লেনদেন কমার পাশাপাশি উভয় শেয়ারবাজারের সূচকও কমছে। এদিকে গোটা বাজারের সূচক কমলেও কিছু কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। যা পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলছে। তবে অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি বন্ধে তাদের পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরিতে প্রভাব ফেলছে। তাছাড়া ঈদ-উল-আযহাকে কেন্দ করেও কিছুটা শেয়ার বিক্রির চাপ রয়েছে। দর পতনের দিক থেকে বাজারে শীর্ষে ছিল ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলো। এ কোম্পানিগুলোর দরপতন হয়েছে ২.১৪ শতাংশ। এদিকে ৩২ কর্মদিবস পর ডিএসই’র লেনদেন তিনশ’ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। তবে লেনদেনের ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল পোশাক খাত এবং ফার্মাসিউটিক্যালস খাত। পোশাক খাতের অবদান ছিল মোট লেনদেনের ১৯ ভাগ।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের দিনের তুলনায় ৩১ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৭১ কোটি ৯৯ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬০ কোটি ১৭ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮৯টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ২১৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের।