গল্পটা সাফল্য নিয়ে
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:২৫
গাইডলাইন
ক্যারিয়ারে সাফল্যের গল্প অনেকেই শুনতে চায়। কারণ এখানের সফলতা একজন মানুষের সারা জীবনের আনন্দের গল্প রচনা করে। বিশেষ করে শিক্ষা পরবর্তী সময়ে একজন শিক্ষার্থীর পছন্দের পেশায় চাকরি হয়ে যাওয়া এক পরিপূর্ণ সফল জীবনে প্রবেশ করার গল্প বলে সবাই মনে করে। কেননা এ দেশের প্রেক্ষাপটে একটি সাধারণ পরিবারের সন্তানকে লেখাপড়া করানোর উদ্দেশ্য থাকে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়া। এক্ষেত্রে মা-বাবা আশায় বুক বাঁধে এই ভেবে যে, তার সন্তানটি শিক্ষা শেষে চাকরি পাবে, তাদের দৈন্য দশা দূর হবে। বাস্তবে শিক্ষা শেষে সফল ক্যারিয়ারের গল্প তৈরি হয় কিন্তু কাদের নিয়ে? যারা গল্প গড়ার মতো সঠিক বিষয় নিয়ে লেখাপড়া করে।
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার ধরন পাল্টাচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সময়োপযোগী কোর্সের দিকে এগোচ্ছো সবাই। বিশেষ করে কর্মমুখী উচ্চ শিক্ষা যার দেশে কি বিদেশে সমান হারে চাহিদা রয়েছে। আর চাকরি ক্ষেত্রে বেতনসহ সুযোগ-সুবিধা থাকে আন্তর্জাতিক ধারার। বাংলাদেশে এমন একটি বিষয় অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স। এ দেশে চাহিদার তুলনায় অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে যোগ্যপ্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেক কম। এ দেশে অ্যাভিয়েশন খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে। বিশ্বমানের এয়ারলাইন্স শিল্পের কাতারে বাংলাদেশের এয়ারলাইন্স শিল্প ইতোমধ্যেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে এই শিল্পে প্রয়োজন পড়ছে দক্ষ প্রযুক্তিজ্ঞানসমৃদ্ধ অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারদের। দক্ষ অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারের বেতন ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে ২ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যায়। সেইসাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার পরিমাণও। ১৫-২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন ৩ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
এক সময় বিষয়টি পড়ার জন্যে বিদেশ যেতে হতো অনেক টাকা খরচ করে। কিন্তু এ দেশে এই ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ থাকায় অল্প খরচে ব্যাপক সংখ্যক দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থী এ বিষয়ে লেখাপড়া করে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এ পেশায় আসতে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হয়। এ ধরনের দক্ষ অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করতে সাহায্য করছে যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য শিক্ষা বোর্ড বিটেক এডেক্সেল। বাংলাদেশে এর অধীনে রয়েছে কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজি; যাদের ক্যাম্পাসটি উত্তরার এগার নম্বর সেক্টরে দুই নম্বর রোডে চৌদ্দ নম্বর প্লটে অবস্থিত। এদের সরাসরি কথা বলতে চাইলে যোগাযোগ করা যাবে এই নম্বরে :৮৯৯১৩৭১। কলেজটি অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এনডি ও এইচএনডি ডিগ্রি পরিচালনা করছে এবং এ বিষয়ে এদের সাফল্য রয়েছে উল্লেখ করার মতো। এটি বাংলাদেশের কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের প্রথম অনুমোদন দেওয়া অ্যাভিয়েশন কলেজ। এরই মধ্যে এদের প্রথম-দ্বিতীয় ব্যাচের পর তৃতীয় ব্যাচের অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্সের শিক্ষার্থীরা চাকরি নিয়ে বিদেশে কর্মরত রয়েছে। এদেশের অ্যাভিয়েশন খাতেও কর্মরত রয়েছে এদের প্রচুর শিক্ষার্থী।