ন্যাচার ফটোগ্রাফি
প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০১৩, ২০:১৩
সানিয়ার রহমান রাহুল
ফটোগ্রাফির বিভিন্ন শাখার মধ্যে ন্যাচার ফটোগ্রাফি আজ সুপ্রতিষ্ঠিত। প্রকৃতির সৌন্দর্যকে শুধু দর্শনই নয়, পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পিক্সেলের কারুকার্যে ধারণ করে যারা আমাদের সামনে উপস্থাপন করেন, তারাই ন্যাচার ফটোগ্রাফার। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে এসব আলোকচিত্রীদের অবদান অনস্বীকার্য। তাই এ পেশায় সফল একজনের কাছে জানব এই পেশায় সফল হতে তার পরামর্শ
ছোটবেলায় বাবার কাছে যখন এসএলআর ক্যামেরা দেখেছেন, ঠিক তখন থেকেই সানিয়ার রহমানের ফটোগ্রাফির ইচ্ছাটা জন্ম নেয় এবং ফটোগ্রাফিতে নিজের সেই স্বপ্ন পূরণের সামর্থ্য হয় ১৯৯৭ সালে। চর্চাটাও করেন একা একাই। বিদেশি বই-ই ছিল তার একমাত্র ফটোগ্রাফি গুরু। আর সানিয়ার রহমান মূলত অ্যাডভার্টাইজিংয়ের সাথে জড়িত গত ১৭ বছর যাবত। ফটোগ্রাফি শিক্ষার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে সানিয়ার বলেন, ‘ফটোগ্রাফি শিক্ষার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অনেক।’ নতুন ন্যাচার ফটোগ্রাফারদের উদ্দেশ্যে পরামর্শে তিনি বলেন, ‘ফটোগ্রাফিতে গ্রামার এবং গ্ল্যামার দুটো আছে বলেই নতুনরা এ পেশায় আসতে যথেষ্ট ইচ্ছুক। ফটোগ্রাফির নানা ভাগের মধ্যে ন্যাচার ফটোগ্রাফির প্রতি তরুণদের বেশ আগ্রহ রয়েছে। আর ন্যাচার ফটোগ্রাফিতে ভালো করতে প্রয়োজন বেশি করে নিজের দেশ, এর ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে হবে। ভালো ইকুইপম্যান্ট ভালো ছবি দিতে পারে, ভালো আয়ও দিতে পারে। তাই মনে রাখতে হবে আমরা যেন এই পেশার অপব্যবহার না করি। নিজের মানসিক সন্তুষ্টি বিধানের সাথে কাজের মিল থাকলেই এ পেশায় স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজে পাওয়া সম্ভব। তাই কাজের এ ক্ষেত্রে প্রতিনিয়তই স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজে পাওয়া ও সে স্বাচ্ছন্দ্য ধরে রাখার প্রতি জোর দেওয়া উচিত। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে ফটোগ্রাফিতে প্রচুর পড়ালেখা করার সুযোগ রয়েছে। প্রত্যেক ফটোগ্রাফারেরই এ সুযোগটি কাজে লাগানো উচিত। কারণ ফটোগ্রাফিতে ছবি তোলার পাশাপাশি পড়াশোনাটাও খুব জরুরি।’