আইটি ম্যানেজার
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:৫২
ওবায়দুল আলম
ডিজিএম-আইটি, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (সিটিসেল)
ওবায়দুল আলম প্রথমে আইবিএম ওয়ার্ল্ড ট্রেড কর্পোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া কর্পোরেট অফিসের শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। তারপর কাজের প্রয়োজনেই দেশে বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রচুর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, করেছেন অনেক পড়াশোনাও। সবশেষে থিতু হয়েছেন সিটিসেলে জিএম-আইটি পদে। এই পেশা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বিংশ শতকের প্রথম দিকে পেশাটা হঠাত্ অনেক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে আমাদের দেশে। পেশাটা নতুন ও চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে অনেকেই আগ্রহী ছিল।’ ওবায়দুল আলমও তাই অনেক আগ্রহ নিয়ে চলে আসেন এই পেশায়। জনপ্রিয়তা বিচারেও আমাদের দেশে অনেক এগিয়েছে আইটি সেক্টর, এমনটাই মনে করেন তিনি। তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়াটা যতটা বিস্তৃতি লাভ করছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে এই পেশার জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। এক কথায় তিনি বলতে চান, এই পেশার ভবিষ্যত্ ‘সুপার অ্যান্ড সিকিউরড’। ওবায়দুল আলমের কাছে আমরা জানতে চেয়েছিলাম এই ক্যারিয়ারে নতুনদের ভালো করার জন্য তার পরামর্শ। তিনি বললেন, ‘জানার কোনো বিকল্প নেই। জানতে হবে এবং আরও জানতে হবে। তাহলেই এই সেক্টরে পরিবর্তনের ধারাবাহিকতার সাথে নিজেকে এগিয়ে রাখা সম্ভব।’
০০০০
ইভেন্ট ম্যানেজার
মোহাম্মদ মাহাবুব হাসান
হেড অব ইভেন্টস অ্যান্ড অপারেশন
উইন্ডমিল অ্যাডভারটাইজিং লি.
বর্তমানে সব আলোচিত পেশাগুলোর মাঝে ইভেন্ট ম্যানেজার অন্যতম। বর্তমান প্রজন্মের কাছে এই পেশার মূল্যায়ন অন্যান্য যেকোনো পেশার চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে। তাই এবার এ পেশার সফল একজনের কাছ থেকে জানব এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে তার পরামর্শ
উইন্ডমিল অ্যাডভারটাইজিং লি.-এর হেড অব ইভেন্টস অ্যান্ড অপারেশনের দায়িত্বে আছেন মোহম্মদ মাহাবুব হাসান (শিবলী)। জীবনের পেশা যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও এসে যখন নতুনত্ব গড়ার সুযোগ পেলেন তখন এক প্রকার নেশাই পেয়ে বসল এই ইভেন্ট ম্যানেজারের মধ্যে। মনের মতো কাজের ক্ষেত্র পেয়ে বাড়তি ভালোবাসা তৈরি হলো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রতি। শুরুর দিকে সাধারণ অনেকেই এই পেশাকে খণ্ডকালীন চাকরি এবং অনিশ্চিত চাকরি হিসেবে নিলেও বর্তমানে আর সে অবস্থা নেই। নতুন যারা এ পেশায় আসছে তারা যদি ধৈর্য এবং মেধার সমন্বয় ঘটাতে পারলে তাদের সাফল্য নিশ্চিত বলে দাবি করেন হাসান। এ ছাড়াও এ পেশায় প্রচুর ডেডিকেশনের প্রয়োজন হয় বলে জানালেন তিনি। যারা দশটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত কাজ করার স্বপ্ন দেখে হয়তো তাদের ক্ষেত্রে এই পেশাটা সুখকর নয়। কিন্তু যারা জীবনে বৈচিত্র্যময় কাজের সন্ধান করেন তাদের জন্যই মূলত এই পেশা। তাই এ পেশাতে প্রচুর সময় দিতে পারলে সফলতা স্বাভাবিকের চেয়ে একধাপ সামনে এগিয়ে যাবে মনে করেন তিনি। যেহেতু অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশে আজও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের উপর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার ব্যবস্থা নেই। তাই এখানকার কোনো আগ্রহী ছাত্রছাত্রী এ বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারছে না। তাই প্রয়োজন এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।