জেনে নিন
খরগোশ পালন
প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০১৩, ১৮:৩৪
আমাদের অনেকের মধ্যে দেখা যায় পশুপাখি পালনের শখ আছে। কেউবা তাদের ঘরে বিভিন্ন রকমের পাখি, বিড়াল, কবুতর কিংবা কুকুর পোষারও শখ রাখেন। তবে কারও থাকে খরগোশ পোষার শখ। খরগোশ পালনকারীদের জন্য এবারে রইল
কিছু টিপস
খরগোশের প্রজাতি
বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির খরগোশ পাওয়া যায়। তারমধ্যে রয়েছে ডার্ক গ্রে (দেশি), ফক্স, ডাচ, নিউজিল্যান্ড লাল, নিউজিল্যান্ড সাদা, নিউজিল্যান্ড কালো, বেলজিয়াম সাদা এবং ছিনছিলা উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে, অল্প বয়স্ক খরগোশের মাংস বেশি বয়স্ক খরগোশের মাংসের তুলনায় উন্নতমানের হয়। আবার স্ত্রী খরগোশের মাংসের তুলনায় পুরুষ খরগোশের মাংস তুলনামূলক উন্নত মানের হয়ে থাকে। বয়স হলে খরগোশের মাংসে কোলেস্টেরল এবং লিপিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং প্রোটিনের পরিমাণ কমে যায়। অন্য দিকে স্ত্রী খরগোশের মাংসে লিপিড, ফ্যাট এবং কোলস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকে।
খরগোশ পালনের সুবিধা
খরগোশ দ্রুত বর্ধনশীল প্রাণী। এদের প্রজনন ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত ভালো।
এক মাস পরপর এক সাথে ২-৮টি বাচ্চা প্রসব করে।
অল্প জায়গায় ও স্বল্প খাদ্যে পারিবারিকভাবে পালন করা যায়। অল্প খরচে অধিক উত্পাদন সম্ভব।
খরগোশের মাংস অধিক পুষ্টি গুণসম্পন্ন। সব ধর্মের মানুষই এর মাংস খেতে পারে।
মাংস উত্পাদনে পোল্ট্রির পরেই খরগোশের স্থান।
রান্না বা ঘরের উচ্ছিষ্টাংশ, বাড়ির পাশের ঘাস ও লতা-পাতা খাইয়ে এদের পালন করা সম্ভব।
খরগোশ পালনের মাধ্যমে বাড়তি আয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।