ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালু
প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:৫৫
দেশে কার্যরত ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য প্রথমবারের মতো পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একশ’ কোটি টাকার এ তহবিল থেকে অর্থ নিয়ে তারা কৃষিজাত প্রক্রিয়াকরণের জন্য মফস্বল ভিত্তিক শিল্প স্থাপন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে ঋণ দিতে পারবে। পুনঃঅর্থায়নের লভ্যাংশ নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের আগের প্রান্তিকে ঘোষিত মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাবের সমান। আর ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব নীতিমালার আলোকে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ বিতরণ করবে।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই এন্ড স্পেশাল সার্ভিস বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে শরীয়াহ ভিত্তিক পরিচালিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ পুনঃঅর্থায়নের আওতায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে ১০ হাজার থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়া যাবে। আর বিভাগীয় সদর ও নারায়ণগঞ্জ শহরের বাইরে অবস্থিত কৃষিজাত প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে বিনিয়োগের শতভাগ ঋণ দেয়া যাবে। তবে এধরনের শিল্পে ভূমি ও ইমারত ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের সর্বোচ্চ পরিমাণ হবে ১০ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকগুলো পুনঃঅর্থায়ন অনুমোদনের কপি, গ্রাহকের দেয়া স্বীকৃতিপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই বিভাগে জমা দিয়ে অর্থ নিতে পারবে। তবে কোনো ব্যাংক যদি ভুল তথ্য দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেয় সেক্ষেত্রে মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাবে প্রচলিত সুদের দ্বিগুণ হারে কেটে নেবে ব্যাংকগুলোর এ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, হিসাবায়নের সুবিধার্থে রেয়াতি সময় তিন এর গুণিতক হিসাবে ৩ মাস অথবা ৬ মাস সময় দেয়া হবে। অর্থাত্ ৩ বছর মেয়াদি বিনিয়োগে রেয়াতি সময় দেয়া না হলে, প্রদানকৃত তহবিল সহায়তা সমান ১২ কিস্তিতে ফেরত দেয়া যাবে। উক্ত বিনিয়োগে ৩ মাস রেয়াতি সময় প্রদান করা হলে মোট ১১ কিস্তিতে ফেরত যোগ্য হবে। এক্ষেত্রে তহবিল সহায়তার তারিখ হতে ৬ মাস পূর্তিতে ১ম কিস্তি আদায় হবে এবং ত্রৈমাসিক কিস্তি ভিত্তিতে তহবিল ফেরত নেয়া হবে।