প্রজন্ম সংবাদ
ভিন দেশে সফল একজন
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০১৩, ২০:০৮
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বাংলাদেশের অসংখ্য মেধাবী সন্তান। সেখানে তারা কেউ লেখাপড়া করে পেশাজীবী হয়েছে। আবার কেউ ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি সেখানকার নাগরিকত্ব অর্জন করে বসবাস করতে শুরু করেছে। উন্নত জীবন ধারার সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য এই মানুষগুলো বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। আর বিদেশ থেকে ফরেন কারেন্সি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করছেন। এবার ঠিক এমন একজন শিক্ষার্থীর কথা আলোচনা করব যিনি অত্যন্ত অল্প সময়ে আয়ারল্যান্ডে গিয়ে আন্তর্জাতিক ধারার চাকরি শুরু করেছেন।
এইচএসসি পাস করার পর শিক্ষার্থীদের জীবন গড়ার মূল তাগিদ শুরু হয়। এই ধারায় পটুয়াখালীর ছেলে মো. এনামুল হক ঢাকায় আসেন কাঙ্ক্ষিত জীবন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে। উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে অন্যতম পছন্দের বিষয় ছিল এয়ারক্রাফট মেনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং। এজন্য বহু খোঁজাখুঁজি, চিন্তাভাবনা এবং সিদ্ধান্তকে বাস্তবের সাথে সমন্বয় করতে হয়েছে। কেননা বললেই তো আর এয়ারপোর্টে উড়োজাহাজ তদারকির চাকরি পাওয়া যায় না। এরপর তিনি এয়ারপোর্ট এবং এয়ারক্রাফটের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করে এয়ারক্রাফট মেনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পেশাদার কোর্স অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি হয়েছিলেন ক্যাটেকের উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে ২ নম্বর রোডে ১৪ নম্বর প্লটে অবস্থিত ক্যাম্পাসে। যাদের ফোন :০১৯৩৭১৮২৪৭০। তার আজন্ম স্বপ্ন সফল হয়েছে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট অ্যাভিয়েশন কলেজে ভর্তি হওয়ার পর। বর্তমানে তিনি আয়ারল্যান্ডের শ্যানন এয়ারপোর্টে লাইন অ্যান্ড বেস মেনটেনেন্স নির্বাহী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এনামুল হক ক্যাটেকে ভর্তি হয়ে শিক্ষারত অবস্থায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, শাহ মখদুম এয়ারপোর্ট, কক্সবাজার এয়ারপোর্ট প্রভৃতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। ক্যাটেক থেকে শিক্ষা শেষ করে প্রথম তিনি এয়ারক্রাফট মেনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি শুরু করেন কার্গো এয়ারলাইন ইজি ফ্লাই এক্সপ্রেস লিমিটেডে। এক বছর কক্সবাজার এয়ারপোর্টে এয়ারক্রাফট মেনটেনেন্সে অভিজ্ঞতা অর্জনের সাথে তিনি এয়ারক্রাফট এইচএস-৭৪৮ আন্ডার ইঞ্জিনিয়ারিং হারমান পেশাদার হন। এরপর তের মডিউলের ইএএসএ পার্ট-৬৬ এএমএল সিএটি বি-১ পরীক্ষায় সফলভাবে পাস করার পর আয়ারল্যান্ডের লুফথনসা টেকনিক এজি শ্যানন অ্যারোস্পেস লিমিটেড কোম্পানিতে যোগ দেন। এখন তার কেবল সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময়।