প্রজন্মের ভিনদেশি ৩ জন টেলিকম মিডিয়া ম্যানেজার
প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:৫০
ড্যা নি মি থা স
তিনি আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া শহরের সান রাফয়েলে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার ক্যারিয়ারের শুরু করেন টেলিকম কোম্পানির একজন জুনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে। তবে ছোটবেলা থেকে তার ইচ্ছে ছিল একজন সফল উপস্থাপক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। কিন্তু সেই আশা ছেড়ে পরিবারের কথামতো পা বাড়ান কর্পোরেট জগতে। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে বলা যায় তিনি একজন উপস্থাপক হিসেবেও সফল হয়েছেন। কারণ, একজন টেলিকম মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে তিনি তার কোম্পানিকে সবার কাছে তুলে ধরতে পেরেছেন। সেই সাথে নামও কামিয়েছেন। তবে এতেই সন্তুষ্ট নন তিনি, আরও ভালো কাজ করতে চান, পাশাপাশি নিজের একটি টেলিকম কোম্পানি করারও ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা আছে তার।
জে না নি দি ন
তথ্য বা ইনফরমেশন পাঠানোর উদ্দেশ্যে সিগন্যালের আকার পরিবর্তন করার পদ্ধতিকে বলা হয় মডুলেশন (উপযোজন)। মডুলেশন হলো টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার প্রাণ। আর কেউ যদি এ কাজটির তত্ত্বাবধানে থাকেন তবে তাকে গুরুত্ব দিয়ে বিচার করতেই হবে। এমনই একজন হলেন জেনা নিদিন। তিনি আমেরিকাতে পড়াশোনার পাঠ শেষ করেন। সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। এরপর মাস্টার্সের জন্য তিনি কানাডাতেও পাড়ি দিয়েছিলেন। ¬ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন নিয়ে পড়াশোনা করার পর আর বসে থাকতে হয়নি তাকে, পাস করার সাথে সাথেই ঢুকে পড়েন পছন্দের কাজে। টেলিকম সেক্টরটি বেশ উপভোগ করেন তিনি। তার কাজের জন্য বেশ কয়েকবার পুরস্কৃতও হয়েছিলেন তিনি।
স্টি ভে ন কু য়ে ন
তার নাম স্টিভেন কুয়েন, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই তাকে চেনে স্টিভ নামে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসার দিকটা সেই ছোটকাল থেকে বেশ ভালোই বোঝেন তিনি। তবে মানুষের কাছে এই ব্যবসা দিয়ে তিনি পরিচিত একজন হয়ে ওঠেননি। হয়েছেন কানাডার অতি পরিচিত এবং বিখ্যাত এক টেলিকম কোম্পানির মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে। একই সাথে স্টিভ সেই কোম্পানিরই একজন সিইও। কাজপাগল এই মানুষটি কিন্তু কখনও একটি কাজ নিয়ে বসে থাকেননি। তার প্রমাণ পাওয়া যায় ‘ট্রিলেটিয়াল’ নামের টেলিকম কোম্পানির সদস্যদের তালিকা দেখলে। কোম্পানিটিতে তার ইনভেস্টমেন্ট মোটামুটি ১.৮ বিলিয়ন ডলারের মতো।