সময়ের সাথে ওয়ারার ফ্যাশন
প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৮
স্টাইলশপ
যারা গত্বাঁধা ফ্যাশনে আটকা পড়তে চান না, তাদের জন্য চাই ব্যতিক্রম কিছু। আর ফ্যাশন ডিজাইনার রুমানা চৌধুরীও তেমনটা চাইতেন না, যা চাইছেন তার পুরোটাই ফুটিয়ে তুলতেন পোশাকে। আর তাই নিজের ডিজাইন করা পোশাক দিয়েই বনানীতে যাত্রা শুরু করে ওয়ারা।
সময়ের সাথে সাথে ফ্যাশন আবর্তিত হয়, সেই মাফিক ফ্যাশনের ধারাটাকে বয়ে নিয়ে যাওয়ার
প্রত্যয় রুমানা চৌধুরীর ওয়ারার! আরবি শব্দ ‘ওয়ারা’র বাংলা অর্থ হলো ‘খাঁটি’। ওয়ারার প্রতিটি পোশাকেই নামের এই বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে চাওয়া হয়েছে। ওয়ারা ঘুরে এসে লিখেছেন
সাজেদুল ইসলাম শুভ্র, ছবি তুলেছেন দীপঙ্কর দীপু
বনানীর ১০/বি সড়কে যেতে একতলা এক বাসা। যার সামনে কয়েকটি বিলবোর্ডে সুন্দর কিছু পোশাকের দেখা মিলল। ছিমছাম ছোট এক আয়োজন, প্রতিটি কোনায় কোনায় যত্নের ছাপ। এক দেয়ালে আলো ছায়ায় সুন্দর ফ্রেমে বাঁধাই করে রাখা তাদের কিছু প্রাপ্তির খবর। মূল আয়োজনটা দুটো ভাগে বিভক্ত। একটি ভাগে ছেলেদের পাঞ্জাবি পাবেন শুধু। সুতি, লিলেন বা সিল্কের হতে পারে এগুলো। দাম রাখা হয়েছে ২৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে। মেয়েদের নানা রকম শাড়ি পাবেন আপনি—কোটা, টাইডাই, মোম বাটিক, শিফন, মসলিন, জর্জেটের বাহারি ডিজাইনের সব শাড়ি। ডিজাইনে সময়কে তুলে ধরার এক প্রয়াস। জাঁকজমক মসলিনের দাম আছে সর্বোচ্চ ৩৫০০০ পর্যন্ত, শুরুটা ২৫০০ থেকে। থ্রি-পিসের দেখা মিলবে নতুন নতুন কাট, একই সাথে ভিন্ন কিছু ডিজাইনের। আনারকলিও আছে এখানে। আছে আনস্টিচড থ্রি-পিসও। ২০০০ থেকে ২৫০০০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের কামিজ। যার মধ্যে সিঙ্গেল কামিজ আছে, আছে ফতুয়াও। ওয়ারার ব্যবস্থাপক চম্পক দেবনাথ পাপ্পু জানালেন, ওয়ারা বরাবরই ফ্যাশন সচেতনতায় এগিয়ে। সময় উপযোগী একই সাথে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক পোশাকের নিশ্চয়তা দিয়ে থাকেন তারা। উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন ডিজাইনার রুমানা চৌধুরী প্রতিটি ডিজাইনই করেছেন আমাদের সময়, চাহিদা আর ক্রেতার রুচি-পছন্দের কথা বিবেচনা করে। কাজেই ওয়ারার পোশাক সুনির্বাচিত, একই সাথে সৃজনশীল ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ডিজাইনের। সবমিলিয়ে বলা যায়, ফ্যাশন ট্রেন্ড বলতে আমরা বুঝি সময়ের উপযোগী সাজগোজ করা। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কাপড় পরা এখনকার ফ্যাশন ট্রেন্ড। আর এই জিনিসটাকে ধারণ করেছে ওয়ারা। এর বাইরে কিছু পোশাক থাকে যা সবসময়ই কাঙ্ক্ষিত, সেগুলোও ওয়ারা তুলে ধরে নতুন করে, যেমন আমাদের অতি প্রিয় মসলিন। কোন ধরনের ড্রেস এবং প্রসাধনে ভালো মানাবে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। দৃষ্টিকটু কিছু পরাটা ঠিক নয়, তা সে যতই লেটেস্ট হোক। ফ্যাশন সচেনতা সবার মধ্যে থাকা বাঞ্ছনীয়। তবে নিজেকে এমন ভাবে কখনও সাজানো উচিত নয় যা দেখে অন্যের হাসি পায় অথবা বিরক্তির উদ্রেক করে। সাজপোশাক হতে হবে সুন্দর, ছিমছাম।
এ ক ন জ রে
কোথায় :বাসা-৩০, রোড-১০/বি, ব্লক-এইচ, বনানী, ঢাকা।
উদ্যোক্তা :রুমানা চৌধুরী
কবে যাবেন :রবিবার বাদে যেকোনো দিন ১০টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে।
ফোন :৯৮৭২২৬৪
ওয়েবসাইট :www.warahbd.com