জি-২০ সন্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ প্রশমনের একটি সমঝোতা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ওয়াশিংটনে কর্মরত চীনের দূত। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের কট্টরপন্থিরা পৃথিবীর দুই বৃহত্ অর্থনীতির দেশকে আলাদা করতে চাচ্ছে যার পরিণতি ভালো হবে না।
বুয়েনস আয়ার্সে জি-২০ সম্মেলনে চীনা প্রতিনিধি দলে যোগ দেওয়ার আগে এই চীনা দূত চুই তিয়ানকাই বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দায়িত্ব রয়েছে এক অপরকে সহায়তার। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ওয়াশিংটনের কট্ট্রপন্থিরা কি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অর্থনীতিকে আলাদা করতে চাইছে। এই প্রশ্নের জবাবে তিয়ানকাই বলেন, আমি মনে করি এটি সম্ভব না এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উপকারী নয়। আমি জানি না তারা এর পরিণতি অনুমান করতে পারেন কিনা।
১৯৩০ সালে শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে যে শুল্ক যুদ্ধ শুরু হয়েছিল তার ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। তিনি বলেন, আমি আশা করি আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেব এবং ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাবো না।
তিয়ানকাই বলেন, আমরা বাণিজ্য যুদ্ধ চাই না। বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য আমরা যৌক্তিক সমাধানের চেষ্টা করছি। আমরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য লড়ে যাবো। সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এ ব্যাপারে কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাওয়া যাবে না। তিয়ানকাই বলেন, আমি মনে করি না একপক্ষ শর্ত দিয়ে যাবে আর অন্যপক্ষ তা মানতে থাকবে।
হোয়াইট হাউসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ল্যারি কুডলভ বলেন, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে বাণিজ্য ঘাটতি না কমালে চীনা পণ্যে শুল্ক বাড়াবে যুক্তরাষ্ট্র।