উন্নয়ন অন্বেষনের পর্যালোচনা

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবেনা

চলতি অর্থবছরে সরকার রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হতে পারে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের অন্তরায় সৃষ্টি করবে। রাজস্ব আদায়ের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮১৮ কোটি টাকা কম অর্জিত হবে। বর্তমান বাজেট অনুসারে রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রা ১৬৭ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে বাজেট ঘাটতি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৫ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা বেশি দাঁড়াবে। চলতি বাজেটে প্রাক্কলিত ২২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন অন্বেষণ তাদের নভেম্বর মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় এসব কথা বলেছে। বর্তমান অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে আদায়কৃত আমাদানি সম্পূরক আবগারি শুল্ক গত অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় ৫ দশমিক ৬৬ ও ২৪ দশমিক ০৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আমদানি শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর আদায়ের ক্ষেত্রেও গত অর্থবছরের তুলনায় ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। উক্তখাতে এই অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ৪ দশমিক ৫২ ও ১৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা বিগত বছরের একই সময়ে ৭ দশমিক ৬৯ ও ১৯ দশমিক ১৩ শতাংশ ছিল। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির মতে, করজালের সংকীর্ণতার কারণে রাজস্ব আদায় প্রচেষ্টা ব্যহত হচ্ছে। দেশের মোট জনসংখ্যার কেবলমাত্র এক দশমিক চার শতাংশ প্রত্যক্ষ আয়করের আওতাধীন এবং এক শতাংশেরও কম করদাতা প্রকৃতপক্ষে নিয়মিত কর প্রদান করেন। এদিকে রাজস্ব আদায় কম হলে সামাজিক ও ভৌত অবকাঠামো খাতেও সরকারের কম বিনিয়োগ হবে।