প্র জ ন্মে র ফে স বু ক
লেন্স ক্রাফটেড ফটোগ্রাফি
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ২০:০৩
প্রজন্ম এগিয়ে চলে নতুনত্বের নেশায় এবং পরবর্তীতে এই নেশাটা হয়ে উঠে পেশা। ঠিক তেমনই এই প্রজন্মের মেধাবী ফটোগ্রাফার চৌধুরী ওয়াসিফ হাসান আর আনিকা বিনতে কাসেমের উদোগে বছর তিনেক আগে শুরু হয় লেন্স ক্রাফটেড ফটোগ্রাফি। পড়াশোনার পাশাপাশি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ক্লাবে জড়িত ছিলেন তারা। ছবি তুলতে তুলতেই ভালোলাগা, এরপর জড়িয়ে পড়া নেশায়। ফেসবুকের পেজটা খোলেন তারা ২০১১ সালে। ততদিনে অ্যাড ফার্মে কাজ করেছেন, কিছু অভিজ্ঞতাও হয়েছে তাদের। ওয়াসিফ জানালেন তাদের সেই সময়ের কথা। শুরুতে অনেক ফার্মের সাথে কাজ হয়েছে। কাজের পরিচিতিই তাদেরকে দিয়েছে আরও নতুন সুযোগ। ফেসবুককে খুব ইতিবাচকভাবে দেখেন ওয়াসিফ। তার বিশ্বাস, সময়ের অপব্যয় না হলে এটার মাধ্যমেও যে কেউ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তবে চেষ্টা করতে হবে যারা ফ্যান আছেন, তাদের চাহিদাগুলোকে বুঝে সেই মাফিক পেজ পরিচালনা করার। আর ফটোগ্রাফিকে পেশা হিসেবে নিতে চাইলে ফেসবুককেও খুব কাজে লাগানো যায়। ওয়াসিফের খুব শখ ছিল ফোটোগ্রাফিকে পেশা হিসেবে নেবেন। পরিবারের সহায়তা পেলে ফটোগ্রাফিকেই পেশা হিসেবে আঁকড়ে থাকতেন। বর্তমানে একটি ব্যাংকে কনজিউমার শাখায় কাজ করছেন তিনি। সুযোগ পেলে এখনও ছুটে চলেন ক্যামেরা হাতে। ছুটির দিন বা কাজ শেষে রাতে, ওয়াসিফের শখের জায়গা ক্যামেরা লেন্সকে ঘিরেই। এই সময়র প্রতিশশ্রুতিশীলে এই আলোকচিত্রীর ছেলেবেলা কেটেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। কলেজিয়েট স্কুল আর চট্টগ্রাম কলেজ থেকেই পড়াশোনা সম্পন্ন করে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। আর শিক্ষার্থী থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন কাজে যোগদানের গুরুত্ব তুলে ধরে চৌধুরী ওয়াসিফ বলেন, ‘এর ফলে নিজেদের কমিউনিকেশন বাড়ে, যোগাযোগ তৈরি হয়।’ ওয়াসিফ ও আনিকার আশা—ফেসবুকে তাদের পেজটা ঘিরে যে স্বপ্ন তা ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে।