অল অ্যাবাউট কার্বস
প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০১৩, ১৭:৪৩
প্রোটেইন শর্করার মত শক্তি নয় তবে সহকারী বলা চলে। শরীর প্রথমে কার্বস বা কার্বোহাইড্রেডকে টার্গেট করে বার্ন করার জন্য। এরপর প্রয়োজনে জমায়িত প্রোটেইন ব্যবহার করে শক্তি হিসেবে। কিন্তু পেশী তার উপাদান কার্বোহাইড্রেড নয় বরং প্রোটেইন থেকে নেয়। তাই শরীরে এর প্রয়োজনীয় সর্বদা উপস্থিত থাকতে হয়। আমাদের রোজকার জীবনে যে হাজারও কাজ করি তা জন্যে প্রয়োজনীয় এনার্জি যোগায় কার্বোজাইড্রেটস বা চলতি কথায় আমরা যাকে বলি কার্বস। তবে শুধু এনার্জি নয় হরমোন এবং কোলেস্ট্রলের মতো ফ্যাটি এসিডেরও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কার্বস শক্তিশালি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করে যা আমাদের ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। মস্তিস্কের কার্যকারিতার ক্ষেত্রে কার্বসের প্রধান ভূমিকা রয়েছে। অনেক ডায়েট প্ল্যান থেকে কার্বসকে পুরোপরি বাদ দেওয়া হয়। এটা ভূল। কার্বোহাইড্রেড না থাকলে ফ্যাট এনার্জিতে পরিণত হতে পারেনা। ফ্যাট ঝরানোই যুদি আমাদের লক্ষ হয়ে থাকে তা হলে উচিত কার্বোহাইড্রেট একটু বেছে খাওয়া। অর্থাত্, এমনসব খাবার খাওয়া যার গ্লাইসেমিক ইনেডক্স অনেক কম। যে সব কার্বসে ফাইবার কনটেন্ট বেশি সাধারণত তার গ্লাইসেমিক ইনেডক্সও কম হয়। লো গ্লাইসেমিক ইনেডক্স কার্বসের মধ্যে পড়বে জোয়ার, বাজরা, বার্লি, ডাল এবং হোল হুইট। হাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত কার্বসের মধ্যে পড়বে বিস্কুট, মিস্টি, পিত্জা, প্যাকেজড জুস, জ্যাম, জেলি ও শরবত। এই খাবারগুলোয় থাকা শুগার খুব চটপট ফ্যাটে পরিণত হয়। তবে একসঙ্গে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভাল কারণ অতিরিক্ত কার্বস গ্লাইসেমিক লোড বাড়িয়ে মোটা করে তুলতে পারে।