ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি
প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০১৪, ২১:৪৯
এগিয়ে যাক বাংলাদেশের
অর্থনীতি
অর্থনৈতিক উন্নয়ন একটি দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বার বার বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিগত দিনগুলোর লাগাতার হরতালে দেশের অর্থনীতিতে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। দেশের এই করুণ অবস্থায় দেশের মানুষ যখন প্রায় বাকরুদ্ধ তখন আশার বাণী শুনতে পাই; এই কয়দিন হরতাল, অবরোধ না হওয়ায় বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে দেশের অর্থনীতি আরো গতিশীল হবে, দেশ সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছাবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। জনগণ হরতাল চায় না, তারা চায় শান্তি, দেশের অগ্রগতি। তাই দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে সরকারের উচিত জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখা আর বিরোধী দলগুলোর উচিত আন্দোলনের নামে অহেতুক হরতাল বর্জন করা। বিরোধী দলগুলো যেন হরতাল করার সুযোগ না পায় সে ব্যাপারে সরকারকে আন্তরিক ও সহনশীল হতে হবে। সর্বোপরি দেশকে নিয়ে একটু ভাবতে হবে।
নিশাত জাহান রুমি
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
০০০০০০০০০০০
অর্থনীতিতে অপার সম্ভাবনা হাতছানি দিচ্ছে
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকা চালানোর মতো বিপরীত টানে স্থবির হয়ে পড়েছিল বাংলাদেশের অর্থনীতি। কিন্তু বর্তমানে অনুকূল পরিবেশ তথা হরতাল অবরোধ না থাকায় অর্থনীতি উন্নতির পথে। স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে স্রোতের অনুকূলে নৌকা চালানোর অর্থ এই নয় যে, গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া। বরং গন্তব্যের পথে অনুকূল পরিবেশে পা রাখা। আমরা সাধারণ জনতা শাসকদের শুধু এইটুকু বলবো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অপার সম্ভাবনা হাতছানি দিচ্ছে। আপনারা শুধু একটু কাজে লাগান। তখন আপনাদের কাছেও ভাল লাগবে যে, আপনারা অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ একটি দেশের শাসক।
মুহাম্মাদ হাবিবুর রহমান
অনার্স শেষ বর্ষ, ইংরেজী বিভাগ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
০০০০০০০০০০
হরতালের কারণে বিঘ্নিত হতে পারে চলমান অর্থনৈতিক অবস্থা
অল্প কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ টানা হরতালের মধ্যদিয়ে গেল। দেশের অর্থনীতিতে যা ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করল। হরতালের কারণে দ্রব্যমূল্য চরমে উঠেছিল। তবে আশার বাণী এই যে, দেশটা এখন একটা স্থিতিশীল অবস্থায় আছে যা একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির পূর্বশর্ত। হরতাল একটি দেশের উন্নতির ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান অন্তরায়। এখন দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে, অর্থনীতিও এগিয়ে যাচ্ছে। কাজেই এখন আবার হরতাল ডাকলে এগিয়ে যাওয়া অর্থনীতি আবার পিছিয়ে যাবে। তাই দেশের স্বার্থে, দেশের জনগণের স্বার্থে হরতাল পরিহার করতে হবে। নইলে দেশের অর্থনীতি আবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আবার হরতাল কোনভাবেই গ্রহণ করা যায় না।
সৌরভ দেবনাথ
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, প্রথম বর্ষ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
০০০০০০০০০
অর্থনীতি যেন
পুনরায় প্রাণ
ফিরে পেল
স্মরণাতীতকাল থেকে বর্তমান সময়ের পরিক্রমায় ২০১৩ সালটা যেন অর্থনীতির জন্য চরম বিপর্যয় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। রাজনৈতিক সংঘাতের কবলে পিষ্ট হয়ে তা যেন পঙ্গুত্ব রূপ ধারণ করেছিল। হরতাল, অবরোধ ও বিক্ষোভের মত কর্মসূচি যেন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ করে পোশাকশিল্পে, কৃষি, আমদানি, রপ্তানি, মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় সব ক্ষেত্রেই অশনি সংকেতের রূপ নিয়েছিল। কিন্তু ২০১৪ সালটা যেন অর্থনীতির দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছে। বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলো বন্ধ থাকাতে সকল অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় তাদের আগের গতিতে কাজ করছে। বাড়ছে আমদানি, রপ্তানি, সাথে বিদেশি বিনিয়োগ ও। তথা ঘুরতে শুরু করেছে অর্থনীতির মরিচা ধরা চাকা। আমরা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র চাই যা হবে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিকমহলে প্রশংসিত।
নিলুফার ইয়াসমিন লিমা
ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ ১ম বর্ষ,২য় সেমিস্টার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
০০০০০০০
সত্যি তাই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের
অর্থনীতি
দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক সহিংসতা, অস্থিরতা ইত্যাদি নেতিবাচক পরিবর্তনের ফলে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোতে দেখা যায় স্থবিরতা, হতাশা ও আশাব্যঞ্জনা। কিন্তু বর্তমানে আমাদের আশার বিষয় হলো দেশ অনেক রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল। দেশ এখন নিরক্ষরতা, সম্পদের অপব্যবহার এবং হরতাল অবরোধের মতো ভয়াবহ অভিশাপ থেকে মুক্ত। তাই আমার মতে বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে তার উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিমূলক কর্মকাণ্ডের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্থনীতি ভেসে বেড়াচ্ছে উন্নয়ন ও উন্নতির ভেলায়। অর্থাত্ যোগ্য ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্তৃক মিল, কারখানার উত্পাদন কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশের সুষ্ঠু এবং যথাযথ ব্যবহারের ফলে আবার ঘুড়ে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি।
রুনা আক্তার জামান
বি এস এস (অর্থনীতি), অনার্স ১ম বর্ষ
আনন্দমোহন সরকারী কলেজ, ময়মনসিংহ