ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি

প্রাণ ফিরেছে অর্থনীতির, প্রয়োজন স্থিতিশীলতা দেশে সংবিধানসম্মত সরকার গঠিত হওয়ায় সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। সাথে সাথে অর্থনীতির গতিও সাবলীল হচ্ছে। এর প্রমাণ আমরা পাই অর্থমন্ত্রীর প্রায় আড়াই লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণার কথা শুনে। আমরা বিশ্বাস করি এই বাজেট বাস্তবায়িত করা সম্ভব যদি দেশ শান্তিপূর্ণ থাকে। কিন্তু বর্তমানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অনেকে আবার বিভিন্ন উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে যা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। মোটকথা, যারা দেশের ও মানুষের জন্য কাজ করবে তারাই দেশকে নেতৃত্ব দেবে। ভবিষ্যতে অর্থনীতিকে সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের আওতামুক্ত রাখতে হবে এবং আইন করে সকল অনিষ্টকারিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বাড়াতে হবে। সবার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। জনকল্যাণমূলক ও গঠনমূলক রাজনীতি করলে দেশ শান্ত ও উন্নত হবে। আমরাও অদূর ভবিষ্যতে সুখী, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিগণিত হব যা হবে অন্য দেশের অনুকরণীয় রোল মডেল। মিজানুর রহমান (মানিক) ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। === বাধাহীনভাবে এগিয়ে যাক দেশের অর্থনীতি সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় অর্থনীতি ধীরে ধীরে আবার প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। কিন্তু এই স্থিতিশীল অবস্থা কত দিন থাকবে? এমন প্রশ্ন সবার মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে। এখন যদি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে, তাহলে সেই ক্ষতি দেশ কিভাবে পূরণ করবে? এটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তাই দেশের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের প্রতি অনুরোধ, দেশের এই নাজুক অর্থনীতিকে আরো নাজুক করে এমন কর্মসূচি থেকে বিরত থেকে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন। আফরোজা পারভীন ১ম বর্ষ, ২য় সেমিস্টার, ব্যবসা প্রশাসন বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট। === বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে আরও অনেক পথ বাকি ২০১৩ সালের শেষ দিকে রাজনীতির করাল থাবায় বাংলার অর্থনীতিতে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছিল ক্রমেই তা সেরে উঠছে। রাজনৈতিক অবস্থার সাথে সাথে অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সামনের আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। আমরা স্বপ্ন দেখি ডিজিটাল বাংলাদেশের। যেখানে থাকবে উন্নত জীবন ব্যবস্থা-থাকবে না ক্ষুধা, দারিদ্র্য। আর এজন্য প্রথমেই প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং তার সঠিক বাস্তবায়ন। আর আমার মতে এ জন্য দরকার ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। ঢাকা শহরকে ছড়িয়ে দিতে হবে সারা দেশে। বিভাগীয় শহরগুলোতে গড়ে তোলা যেতে পারে বিভিন্ন কল কারকানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এতে করে বাংলাদেশের অর্থনীতি কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস। তাই আর যেন এই রাজনীতির করাল থাবা অর্থনীতির গায়ে না পড়ে সেজন্য সরকারি দলের সুদৃষ্টি কামনা করছি। সি এম আবু রায়হান ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা। === ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় যত স্বস্তি ফিরে আসবে আমাদের অর্থনীতি তত চাঙ্গা হবে দেশের সার্বিক কর্মকাণ্ড অনেকটা নির্ভর করে অর্থনীতির উপর, তাই অর্থনীতির উন্নয়ন মানেই দেশের আশানুরূপ উন্নয়ন। এখন ব্যবসায়ীরা মাসের প্রতিটি দিনই স্বস্তিতে ব্যবসার কাজ করতে পারছে। দেশের বাজার পরিস্থিতি ভালো হচ্ছে। আমদানি রপ্তানি ভালো থেকে আরো উন্নত হচ্ছে। যেহেতু আমাদের অর্থনীতির অনেক অর্থ উপার্জন হয়, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তাই ব্যবসায়ীদের ব্যবসার পরিবেশ যত ভালো হবে, অর্থনীতির তত চাঙ্গা ভাব আসবে। ব্যবসায়ীরা দেশের অর্থনীতি উন্নয়নের সাথে যেমন জড়িত, তেমনি বেকারত্বের হার কমানোর ক্ষেত্রেও জড়িত। ব্যবসার ক্ষেত্র যত বাড়বে, চাকরির পরিধিও তত বাড়বে। ব্যবসায়ীদের ব্যবসার আরো নিরাপত্তা, পরিবেশ, উপকরণ সর্বক্ষেত্রে নিরাপদ পরিস্থিতি বজায় রাখতে হবে। এটিই হচ্ছে নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবেই আমাদের অর্থনীতি আরো চাঙ্গা হবে। মিনহাজ ভুঁইয়া শিক্ষার্থী, ৩য় বর্ষ, ফার্মেসী বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা। === এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি দেশে বর্তমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেগবান হচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নেই। দেশের এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ তথা ৮৭,৩১৯টি গ্রামের মানুষ যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। হরতাল, অবরোধ তথা রাজপথ অবরোধ দেশের জন্য ভাল কিছু বয়ে আনে না। দেশ তথা জনগণের স্বার্থে যারা নিজেদের বিলিয়ে দেয় তারাই তো প্রকৃত দেশপ্রেমিক। এখন হরতাল, অবরোধ নেই বললেই চলে। এ অবস্থাতে যেন বাংলাদেশের মানুষ নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে। এখন এই টার্নিং পয়েন্টে যদি পুনরায় হরতাল, অবরোধ ইত্যাদি কার্যক্রম শুরু হয় তাহলে দেশের অর্থনীতির চাকা মুখ থুবড়ে পড়বে। এ অবস্থাতে প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর সহনশীলতা প্রয়োজন। আকাশ আহমেদ জারসা সমাজবিজ্ঞান (অনার্স) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া