গ্রামপুলিশদের দায়িত্ব প্রসঙ্গে

ইউনিয়ন পরিষদ সরকারের তৃণমূল পর্যায়ের সর্বশেষ প্রশাসনিক ইউনিট। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ছাড়াও এ প্রশাসনিক ইউনিটে বর্তমানে একজন ইউপি সচিব, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও ১০ জন গ্রামপুলিশ আছেন। হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদটি সৃষ্টি করা হলেও এ পদে এখনো জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদে কাজের পরিধি ব্যাপক। ইউনিয়ন পর্যায়ে ১০ জন গ্রামপুলিশ রয়েছেন—এর মধ্যে দফাদার- ২১০০ টাকা ও চৌকিদার ১৯০০ টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। গ্রামপুলিশগণ সপ্তাহে ২/৩ দিন পালাক্রমে অফিস ডিউটি করা ছাড়াও বিভিন্ন বিশেষ দিনে তাঁরা দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু তাঁদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনা জরুরি হয়ে পড়েছে। চেয়ারম্যান ও সদস্য কর্তৃক নিয়োগ পাওয়ায় তাঁরা চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যগণের কথামতো কাজ করেন। চেয়ারম্যানগণ যতক্ষণ অফিসে থাকেন ততক্ষণ তাঁরা অফিস করেন তারপর যে যাঁর মতো চলে যান। ইউপি চেয়ারম্যান হলেন নির্বাচিত প্রতিনিধি; তিনি নানা কাজে ব্যস্ত থাকেন। তাই সব সময় অফিস করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু ইউপি সচিবকে সার্বক্ষণিক অফিস করতে হয়, এছাড়া সরকারি সকল দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করাসহ বিভিন্ন রিপোর্ট রির্টান দাখিল করতে হয়। বাস্তবতা হলো এসব কাজে গ্রাম পুলিশগণের যথাযথ সহযোগিতা পাওয়া যায় না। এ অবস্থায়, গ্রামপুলিশ নিয়োগের কমিটিতে ইউপি সচিবদের সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করাসহ সরকারি ও আইন সম্মত দায়িত্ব পালনের আদেশ প্রদানে ইউপি সচিবদের দায়িত্ব প্রদান করা জরুরি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এ কে এম হাসান নুর জামান, ইউপি সচিব, ৩ নম্বর ফাজিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ, দিনাজপুর সদর, দিনাজপুর