সেরা প্রফেশনাল হতে

এইচএসসি পাস করার পর উচ্চশিক্ষা নিয়ে বেশ দ্বিধা-দ্বন্দের মধ্যে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। সাধারণত বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সাধ রাখে। কিন্তু এ বিষয়ে চান্স পাওয়াটা প্রকৃতপক্ষেই দুরূহ বিষয়। আর এসব বিষয় অনেকটা গতানুগতিক। এ কারণে এখন অনেকেই চিন্তা করে ব্যতিক্রমী কোনো বিষয়ে পেশাদার হওয়ার। আসলে শিক্ষা অর্জনে বৈচিত্র্য এবং একটু নতুনত্ব নিয়ে চিন্তা করে সময়োপযোগী কোর্সে লেখাপড়া করলে বেকারত্বে ভুগতে হয় না। এমনই সম্ভাবনাময় একটি কোর্স অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স। বিষয়টি সাফল্যের সাথে পরিচালনা করছে ক্যাটেক, যাদের প্রধান অফিস উত্তরার এগার নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর রোডের চৌদ্দ নম্বর প্ল¬টে অবস্থিত। ফোন :০১৯২৬৯৬৩৬৫৩। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির এই কোর্সের কয়েক শ শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে ক্যারিয়ার শুরু করে দিয়েছে। এ ছাড়া এই কোর্সের অনেকে এখন ইন্টার্নি করছে, যারা লাইসেন্স পাওয়ার পর শুরুতেই বেতন পাবে দু’হাজার ইউরো। উড়োজাহাজের যাত্রী এবং পাইলটদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর অনেক কিছু নির্ভর করে এয়ারক্রাফট মেনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারদের উপর। অ্যারোপ্লেন উড্ডয়নের আগে এর সব সিস্টেম ঠিক আছে কি না তা সম্পর্কে পাইলটদের সব ধরনের তথ্যপত্র দিয়ে থাকেন এয়ারক্রাফট মেনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়াররা। এসএসসি-এইচএসসি বা ‘এ’ লেভেল-‘ও’ লেভেল পাস করে এই বিষয়ে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করা যায়। তবে এক্ষেত্রে সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা জরুরি। এই পেশায় আসতে রয়েছে এনডি-এইচএনডি ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ প্রভৃতি কোর্স। একজন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের রয়েছে আন্তর্জাতিক ধারায় বেতন ও বিভিন্ন সুবিধা। এটি হলো অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর একটি ৩ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স, যেখানে মোট ১৮টি বিষয় পড়ানো হয়। এরমধ্যে ৪টি আবশ্যিক বিষয় ও অন্যগুলো হলো অ্যারোস্পেস বা এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ারিং ভিত্তিক বিষয়। এয়ারলাইন্স শিল্পে দক্ষ অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা এতটাই বেশি যে পাস করার পূর্বেই এ বিষয়ের শিক্ষার্থীদের চাকরি হয়ে যায়। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, ফিবা, এডেক্সেল প্রভৃতির অনুমোদিত অ্যাভিয়েশন ইনস্টিটিউট ক্যাটেক স্বল্প ব্যয়ে অ্যাভিয়েশনের এই কোর্স পরিচালনা করছে। কলেজটির উচ্চশিক্ষা এবং চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে ইতিবাচক গবেষণা ও সাফল্য। এই কারণে এদের শিক্ষার্থীরা চাকরিবিহীন নেই। দেশে ছাড়াও বহির্বিশ্বে প্রত্যেক ব্যাচের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী উচ্চ আয়ের পেশায় ক্যারিয়ার গড়েছে।