ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি

অর্থনীতিই হল একটি রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি শিক্ষা যেমন একটি জাতির মেরুদন্ড, তেমনি অর্থনীতিও একটি রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। আর এই মূল ভিত্তি সচল রাখার জন্য প্রয়োজন সবার আন্তরিকতা, তথা দেশপ্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়া। বিগত এক বছরের দিকে আমরা লক্ষ্য করলে দেখতে পাই। হরতাল-অবরোধের জন্য সারাদেশ অচল হয়ে পড়েছিল। আমি আবারও রাজনৈতিক সহিংসতার আভাস পাচ্ছি। সরকারি দল বুঝি না, বিরোধী দল বুঝি না আমরা চাই দেশের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা। তাই আসুন, আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ স্থান থেকে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি এবং দেশকে কিছুটা হলেও ভালোবাসি। সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেই ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশের অর্থনীতি। মো. রেজাউল হক বিএসএস (অনার্স) ১ম বর্ষ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা। ০০০০০০০০০০ অর্থনীতি অগ্রগতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সকলের আরও আন্তরিক হতে হবে কাউকে যদি প্রশ্ন করা হয় তুমি কি তোমার নিজের ক্ষতি হোক এমন কোন কাজ করতে চাও অথবা কেউ যদি তোমার কোন ক্ষতি করতে চায় তাহলে কি তুমি তাকে আশ্রয় দিবে। আমার মনে হয়, সকলেই সমস্বরে উত্তর দিবে না না না। প্রত্যেকটি মানুষকে অর্থনীতি সম্পর্কে এভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন। চাই সে সাধারণ মানুষ অথবা কোন আমলা হোক অথবা কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি হোক। যে অর্থনীতির ক্ষতি মানে আমার ক্ষতি হওয়া, অর্থনীতির ক্ষতি করা মানে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারা। মানুষ যখন এভাবে অর্থনীতি সম্পর্কে চিন্তা করতে থাকবে তখন তারা বিবেকের তাড়নায় ক্ষতিকারক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করবে। যার ফলশ্রুতিতে দেশের মূল চালিকাশক্তি বা প্রাণশক্তি অর্থনীতি আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। নুরউদ্দিন আহসান দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ অনার্স ১ম বর্ষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। ০০০০০০০০০০০০০ সত্যি তাই, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত ১ কোটি মানুষ পরবাসে আর ১ কোটি গার্মেন্টসে; তাদের আয়েই ১৬ কোটি মানুষ চলে। আগেকার মতই “সরকার, তালুকদার, পত্ত্বনিদার, হাওলাদার, কেহই উত্পাদনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন নাই। এখনই তাই নামে যত ওসি, ডিসি থাকুক না কেন, মূল চালিকাশক্তি এই দুই রোজগারীই”। এদের প্রতি নজর দিয়ে যতটুকু এগিয়ে গেছে দেশ পরবর্তী পাঁচ বছরে তাহাই দ্বিগুণ করা সম্ভব টেকসই পরিকল্পনায়। শুধু আমলাদের সদিচ্ছা আর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন জরুরি, কোনো রাজনৈতিক দলই এর বিপক্ষে নেই। আর অন্তরায় শুধু “কলোনীয়াল কান্ট্রি মনভাবাপন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা মাত্র।” যার হার গাণিতিক থেকে জ্যামিতিক-এ উন্নয়ন করা আবশ্যক। মনিরা আঁচল নোভা আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট রোল-২৫ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ০০০০০০০০০০০ এখন দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে, অর্থনীতিও এগিয়ে যাচ্ছে হরতাল একটি দেশের উন্নতির ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান অন্তরায়। অল্প কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ টানা হরতালের মধ্যদিয়ে গেল। দেশের অর্থনীতিতে যা ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করল। হরতালের কারণে দ্রব্যমূল্য চরমে উঠেছিল। তবে আশার বাণী এই যে, দেশটা এখন একটা স্থিতিশীল অবস্থায় আছে যা একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির পূর্বশর্ত। এখন দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে, অর্থনীতিও এগিয়ে যাচ্ছে। কাজেই এখন আবার হরতাল ডাকলে এগিয়ে যাওয়া অর্থনীতি আবার পিছিয়ে যাবে। তাই দেশের স্বার্থে, দেশের জনগণের স্বার্থে হরতাল পরিহার করতে হবে। নইলে দেশের অর্থনীতি আবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মো.সৈয়দ করিম শিক্ষার্থী ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ০০০০০০০০০০ আবার সচল হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি দেশ। কিন্তু বিগত কয়েক মাস যাবত্ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে যে হরতাল, অবরোধ ও সহিংসতা দেখা দিয়েছিল তাতে দেশের অর্থনীতি থমকে গিয়েছিল। তবে আশার কথা হলো দেশ এখন রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল এবং হরতাল অবরোধ-এর অভিশাপ থেকে মুক্ত। এখন সরকারের মূল দায়িত্ব দেশের পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্প, পর্যটন শিল্প ও জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তোলা। দেশের মধ্যে সংঘাত বন্ধ করতে হবে এবং জনগণকে আরো সচেতন হতে হবে। আবদুল্লা আল মামুন শেষ বর্ষ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।