[ আ ন্ত র্জা তি ক ]
ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়া : বৃহত্ যুদ্ধ কি আসন্ন ?
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০১৪, ২১:৩৪
সম্প্রতি ক্রিমিয়ায় রাশিয়ার সৈন্য সমাবেশ এবং এর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের নেতৃবৃন্দের বিষোদগার আন্তর্জাতিক সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক খবরে পরিণত হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পূর্ব-পশ্চিমের সম্পর্কে আশাতীত অচলাবস্থা বিরাজ করলেও বৃহত্ শক্তিবর্গের কেউ-ই রণদামামার হুমকি দেননি। এতদসত্ত্বেও বিশ্বের শান্তিপ্রিয় জনগণ কৃষ্ণসাগরে বৃহত্ শক্তিবর্গের রণ-দামামার আশংকা করছেন।
ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশের পত্র-পত্রিকায় ক্রিমীয় সংকটের নানা নেপথ্য কারণ বিশ্লেষিত হয়েছে। কিন্তু দু-তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা আলোচনার মূল ক্যানভাসে প্রতিফলিত হয়নি। অথচ এ বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে হয়ত কৃষ্ণসাগরস্থ উপদ্বীপ রাষ্ট্রটিকে ঘিরে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষিত গড়ে উঠবে।
অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে ইউক্রেনের অর্থনৈতিক দুরাবস্থা, বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ইত্যাদি কারণগুলোর পাশাপাশি যে ইস্যুটি ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে, তা হলো অখণ্ড রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় পূর্বশর্ত হিসেবে জাতির (Nationhood) গঠনের ক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় নেতৃবৃন্দের ব্যর্থতা। বিশেষ করে কৃষ্ণসাগরের তীরঘেঁষে যে ক্রিমীয় ভূখণ্ড, তা আর্থ-ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক নানাবিধ প্রশ্ন অনিষ্পন্ন রেখে বৃহত্শক্তির ছত্রচ্ছায়ায় যেনতেনভাবে গঠিত হয়। ফলে ক্ষুদ্রতর পরিসরে (micro-sub-system) ক্রিমিয়া যেমন সুশৃংখলিত, সুসংঘবদ্ধ ও সুসংগঠিত হতে পারেনি, তেমনি বৃহত্তর রাষ্ট্রিক পরিমণ্ডলে (macro-state level) ইউক্রেনও সৃদৃঢ় জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে দণ্ডায়মান হতে পারেনি।
যে নৃতাত্ত্বিক কারণ দেখিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন কৃষ্ণসাগরে বিশাল সৈন্য সমাবেশের হুকুম দিয়েছেন, সেই কারণটি সাম্প্রতিক ইতিহাসে হয়ত সত্য। কিন্তু ক্রিমিয়ার জনসাধারণের নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজ এথনিখ রুশরা যে ক্রিমিয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেই ক্রিমিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন মুসলিম তাতারস সম্প্রদায়। কিন্তু সোভিয়েত কম্যুনিস্ট নেতা জোসেফ স্টালিনের নির্মম নির্যাতনের মুখে তাতারীয় মুসলিমরা ক্রিমিয়া ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। মুসলিমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাঁরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের নাত্সী বাহিনীকে সহায়তা করেছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসা পরাশক্তিদ্বয়ের যৌথ কৌশলে মুসলিম তাতারদেরকে আপন ভূমি ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র চলে যেতে হয়। ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এখানে আদি ইউক্রেনের জনসংখ্যা ২৪ শতাংশ, এথনিখ রাশিয়ার ৫৮ শতাংশ, তাতারসদের ১২ শতাংশ। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর তাতারসগণ আবার ক্রিমিয়ায় ফিরে আসতে থাকেন এবং পুরাতন স্মৃতি স্মরণ করে তাঁদের অনেকে অশ্রুসজল হয়ে ওঠেন। এমন ভিন্নধর্মী, ভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর একত্রীকরণের প্রয়োজনে যে সার্বজনীন ও দরদী নীতির প্রয়োজন ছিল, তা উপেক্ষা করা হয়েছে। আরো বেদনাদায়ক হলো বিশ্বের বর্তমান বৃহত্ শক্তিবর্গের স্বার্থরক্ষার হীন লক্ষ্যকে সামনে রেখে বহুধা-উপাদানে পরিপূর্ণ ইউক্রেনের জাতিসত্তার পুনর্বিন্যাস করে সুষ্ঠু ও সুস্থ জাতিত্ব গঠনের প্রয়োজন পূর্ণ করা হয়নি।
ইউক্রেনের বর্তমান সংকটের মূল এখানে প্রোথিত এবং ক্রিমিয়ার রণদামামায় তা স্পষ্ট গতি নির্ধারক। সে কারণে ক্রিমিয়ার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এখন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে। রুশপন্থী আন্দোলনকারীরা ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়ার বিচ্ছিন্নতা (secession) দাবি করে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছেন, তা জাতিত্ব গঠনের ব্যর্থতার কারণেই সংঘটিত হতে পারছে। ইউক্রেনের ডনেটস্ক নগরীতে লেনিন স্কোয়ার জুড়ে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী বিচ্ছিন্নতার প্রশ্নে গণভোটের (Secession referendum) দাবিও জানাচ্ছেন। তাঁরা ইউক্রেন থেকে বিভক্ত হয়ে রাশিয়ার সাথে যুক্ত হতে উপর্যুপরি শ্লোগান দিচ্ছেন। এমনকি ইউক্রেনের বর্তমান সরকার সমর্থকদের উপর বিচ্ছিন্নতাবাদী রুশ-নৃগোষ্ঠীর আক্রমণ দিন দিন ইউক্রেনীয় সংকটকে আরো ঘনীভূত করছে।
ইউক্রেনীয় সংকটের নেপথ্যে কার্যকর উপরি-উক্ত অভ্যন্তরীণ কারণগুলোর চেয়েও অধিকতর শক্তিশালী নিয়ামক হলো ইউক্রেনে বৃহত্ শক্তিবর্গের স্বার্থান্ধ পররাষ্ট্রনীতি। এ পর্যন্ত ইউক্রেনের সরকার ও নেতৃবৃন্দ কখনো ইউরো-আমেরিকাপন্থী আবার কখনো রাশিয়াপন্থী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। এভাবে পূর্ব ও পাশ্চাত্যের বৃহত্ শক্তিবর্গের স্বার্থের লড়াই এর উর্বর ভূমি হিসেবে ইউক্রেন ব্যবহূত হয়েছে। বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রসমূহ কখনো ইউক্রেনের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা নিয়ে উদগ্রীবতা দেখায়নি, কেবল নিজেদের হীন জাতীয় স্বার্থে ইউক্রেনের পুতুল নেতৃবৃন্দের প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে। স্নায়ু যুদ্ধাবসানের পর প্রায় তিন দশক অতিক্রান্ত হলেও ইউক্রেনের সরকার ও রাজনীতির প্রশ্নে ইউক্রেনীয় নেতৃবৃন্দ এখনো স্নায়ু যুদ্ধকালীন পরাশক্তিদ্বয়ের তাঁবেদার, নতজানু, অনুগত মনোকাঠামো ভেঙ্গে স্বাধীন, স্বকীয় ও সার্বভৌম মনোজগতে প্রবেশ করতে পারেননি। পাশ্চাত্যপন্থীরা তাই ইউরোপ, আমেরিকাসহ পাশ্চাত্য শক্তিবর্গের ইশারায় তাদের ইউক্রেনীয় নীতি প্রণয়ন করছেন। আবার মস্কোপন্থীরাও রাশিয়ার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং বর্তমানের মতো রাশিয়ার সৈন্য, অস্ত্র, অর্থের বলে মস্কোপন্থী নীতি বাস্তবায়নে বাহু-প্রদর্শন করছেন।
বর্তমানে ইউক্রেনীয় সংকটটি এমনি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সমীকরণের জটিল রসায়নে সংমিশ্রিত হয়ে আছে যে, এ সংকট থেকে উত্তোরণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সবচেয়ে বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।
এক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াকে সাবেক পরাশক্তির প্রণোদনা নিয়ে ইউক্রেনীয় নীতি নির্ধারণের ভ্রম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ইউক্রেনীয় জাতিত্ব ও জাতিসত্তার যে মৃত্যু ঘটেছে, যার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে, তার পুনর্বতন আর হয়ত সম্ভব নয়; কিন্তু এখনকার ইউক্রেনের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব দীর্ঘজীবি লাভ করার লক্ষ্যে দু বৃহত্শক্তিসহ আন্তর্জাতিক সমাজেরও দায়বদ্ধতা রয়েছে প্রচুর।
গত ৩ মাস পূর্বে ইউক্রেনের মস্কোপন্থী প্রেসিডেন্ট ভিকটর ইয়ানুকোভিচকে অপসারিত করার পেছনে ইউরোপ-আমেরিকার হাত রয়েছে বলে রাশিয়া অভিযোগ তুলেছে। সাবেক প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাচ্যুতিকে ‘সংবিধানবিরোধী ক্যু’ হিসেবে অভিহিত করেন পুতিন। তিনি এখনো ইয়ানুকোভিচকে ইউক্রেনের ‘বৈধ নেতা’ বলে স্বীকৃতি দেন। বহির্বিশ্বে গণতন্ত্র, সংবিধান এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতি এখন বিশ্ববিদিত। ইরাক ও আফগানিস্তান আক্রমণের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বব্যাপী যে নেতিবাচক মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে, সেই প্রেক্ষিতে ইউক্রেনের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষার শ্লোগান প্রদানে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। ইউক্রেন নিছক আফ্রো-এশিয়ার অথর্ব মুসলিম দেশের ন্যায় দুর্বল চিত্তের দেশ নয়, যাকে সাবেক দুটি পরাশক্তি দাবার গুটিতে পরিণত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ভূ-কৌশলগত বাস্তবতা অস্বীকার করলে বেমানান হবে। ইউক্রেন পরিবেষ্টিত রয়েছে সাবেক পরাশক্তি রাশিয়ার দ্বারা, আর ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ক্রিমিয়ার কৃষ্ণসাগরে রয়েছে রাশিয়ার বিপুল সৈন্য, অস্ত্র-শস্ত্র, পারমাণবিক স্থাপনা। রাশিয়ার ঘরের দুয়ারে, নাগালের মধ্যে অবস্থিত ইউক্রেন নিয়ে একক পরাশক্তির রণহুংকার কেবল বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকেই বাধাগ্রস্ত করবে। স্নায়ু যুদ্ধোত্তরকালে ফুকুইয়ামার ‘ইতিহাসের পরিসমাপ্তি’ (end of history) তত্ত্বের যাদুতে আবেশিত হয়ে ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের দখলদারিত্ব বজায় রাখতে (hegemonic stabity) ইউক্রেনে শক্তিপ্রয়োগ পাশ্চাত্যের মহাবিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। পূর্বেই উল্লেখ করেছি ইউক্রেন ও ক্রিমিয়ায় বিস্তৃত বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের কথা। ক্রিমিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ এবং ইউক্রেনের জনগণের একাংশও যদি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে পাগলপ্রায় হয়, তাহলে কৃষ্ণসাগর অববাহিকা ও পূর্ব ইউরোপে পাশ্চাত্যের সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও স্ট্রাটেজিক স্বার্থ বাধাগ্রস্ত হবে। গত ৬ মার্চ ক্রিমিয়ার পার্লামেন্টে সংসদ সদস্যরা রাশিয়া ফেডারেশনে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অপরদিকে নৃতাত্ত্বিক একাত্মতা, ভৌগোলিক নৈকট্য ও ভূ-কৌশলগত সুবিধার কারণে সাবেক পরাশক্তি রাশিয়ার নীতি-নির্ধারণের হিসাব-নিকাশে এতটুকু ভুল হলে রক্ষা নেই। ২০০৮-সালে জর্জিয়ায় একইরূপ নীতি গ্রহণ করে রাশিয়াকে যে চরম মূল্য দিতে হতো, শেষ পর্যন্ত ন্যাটোর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে সেই ক্ষতি থেকে রাশিয়া রক্ষা পেয়েছিল। সত্যি সত্যি যদি যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও ন্যাটো রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতো, তাহলে বিশ্ববাসী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ দেখতে পেতো এবং তা পারমাণবিক যুদ্ধে পরিণত হয়ে এ বিশ্ব বৃহত্ শক্তিসমূহের কৃষ্ণগহ্বরের ধ্বংসকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হতো চিরদিনের জন্য। বিশ্বশক্তি রাশিয়ার নিজস্ব রাজনৈতিক, সামরিক এবং স্ট্রাটেজিক স্বার্থ রক্ষার অধিকার রয়েছে। বিশেষত তার নিকটতম প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহ, যাদের সাথে তার সীমানা রয়েছে, তাদের সাথে রাশিয়ার সহাবস্থান শক্তির জোরে নয়, বরং আন্তঃরাষ্ট্রিক হূদ্যতার বন্ধনে মজবুত করার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে রাশিয়াকে।
কৃষ্ণসাগর ও ক্রিমিয়ায় রাশিয়ার যে সামরিক স্থাপনা, অস্ত্র-শস্ত্র, পারমাণবিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বের জন্য রাশিয়ার যেকোন উদ্বেগকে সম্মান করা উচিত পাশ্চাত্য বিশ্বের। যুক্তরাষ্ট্রের মত একক পরাশক্তি রাশিয়ার মত পারমাণবিক বিশ্বশক্তিকে অবমূল্যায়ন করে যুদ্ধ-উন্মাদনা সৃষ্টির মত প্রেক্ষিত তৈরি করলে পাশ্চাত্যসহ আন্তর্জাতিক সমাজকেই চরম মূল্য দিতে হবে। কিয়েভ থেকে ক্রিমিয়ায় দু’বিশ্বশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে যে রণ-হুংকারের পূর্বাভাস পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা যেন আন্তর্জাতিক সমাজকে সমূহ বিপর্যয়ে নিক্ষিপ্ত না করে সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে পৃথিবীর রাষ্ট্রমঞ্চ জাতিসংঘকে। আর অকৃত্রিম, স্বচ্ছ, প্রাগ্রসর নীতি গ্রহণ করতে হবে পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের বৃহত্শক্তিবর্গকে।
লেখক:অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ই-মেইল: mramin68@yahoo.com