খাদ্যগুণ

পেয়ারা

আমাদের দেশে প্রায় সারাবছরই পেয়ারা পাওয়া যায়। দেশীয় ফলের মধ্যে এর চাহিদাও অনেক বেশি। তাছাড়া মৌসুমের সময় পেয়ারার দাম সাধারণের নাগালের মধ্যেই থাকে। পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামানি-সি। অন্যান্য সাইট্রাস ফল, যেমন—কমলালেবুর তুলনায় পেয়ারায় ৫ গুণ বেশি ভিটামিন-সি রয়েছে। ১০০ গ্রাম পেয়ারায় রয়েছে ১৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি। তাছাড়া পেয়ারায় ভিটামিন-এ ও ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স রয়েছে। রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন। সেই সঙ্গে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ফলিক এসিড এবং নিকোটিন অ্যাসিড। জেনে নিন এর কয়েকটি উপকারিতা—  হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।  অনেকদিন ধরে মেনস্ট্রয়েশনের সমস্যায় পেয়ারা উপকারী।  রক্ত সঞ্চালনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। হার্টের সমস্যায় ভুগলে তাই পেয়ারা খেতে পারেন। কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও পেয়ারা খেতে পারেন। পেয়ারায় উপস্থিত ভিটামিন-সি সক্রিয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।  অ্যাজমা, স্কার্ভি, ওবিসিটি ইত্যাদি ওসুখের ক্ষেত্রেও পেয়ারা উপকারী।  ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এমনকি প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো রোগও প্রতিরোধে সাহায্য করে পেয়ারা। কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার সমৃদ্ধ পেয়ারা ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।  পেয়ারা পাতার রস গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সমস্যায় উপকারী। কারণ পেয়ারা পাতায় রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।  এছাড়াও পেয়ারা ওজন কমাতে সাহায্য করে।