সময়টা এসিসিএ করার

যুগোপযোগী বিষয় নিয়ে পড়াশোনার ফলাফল উন্নত ক্যারিয়ারের নিশ্চয়তা দেয়। তাই সময়োপযোগী বিষয় হলো এসিসিএ, যার মাধ্যমে পৃথিবীজুড়ে চমত্কার ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এটি বর্তমানের অন্যতম জনপ্রিয় প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং কোর্স। প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিংয়ের মধ্যে রয়েছে এসিসিএ, সিএটি, এফডি। কোর্সটি স্বল্প সময়ে সম্পন্ন করা যায় এবং বিশ্বের যেকোনো দেশে চাকরি করার সুযোগ পাওয়া যায়। এদেশে এই কোর্সটি ব্রিটিশ কাউন্সিলে পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে করা যাচ্ছে। বাংলাদেশে এই কোর্স পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম হচ্ছে—চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ। তারা সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সাথে কোর্সটি পরিচালনা করে আসছে। এজন্য তাদের রয়েছে চমত্কার সেটআপ ও গ্রহণযোগ্যতা। এদের রয়েছে একাধিক ক্যাম্পাস ও সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সাল থেকে সফলভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এখানে কেবলমাত্র সেই সব শিক্ষকরা ক্লাস নেন যারা সিএটি-এসিসিএ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এখানে বেশির ভাগ শিক্ষকের যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান যেমন—বিপিপি, ক্যাপলান, এলসিএ, এলএসবিএফ এসিসিএ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ হয়েছে এবং তারা বিশ্বমানের এই প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাপদ্ধতি এই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রয়োগ করছেন। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ, বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন :৮১৯১৬৬৩, ০১৭২০৫৫৩২৭৮। এসএসসি পাস শিক্ষার্থীদের এফডি করতে সম্পন্ন করতে হবে প্রায় ৮টি বিষয়। এফডি শেষে সিএটি করতে আরও দুটি বিষয় সম্পন্ন করতে হয়। এরপর এসিসিএ করতে আরও তেরটি বিষয় সম্পন্ন করতে হয়। সরাসরি এসিসিএ কোর্সের বিষয় ১৪টি। অন্যদিকে এফডি করে সিএটিসহ এটি করলে বিষয় হয় ২০টি। এটি আন্তর্জাতিক ডিগ্রি যে কারণে বিশ্বজুড়েই শিক্ষার্থীর কর্মক্ষেত্র বিদ্যমান থাকে। যেকোনো শিক্ষার্থী মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হতে পারে, অর্জন করতে পারে অ্যাকাউন্টিংসে অনার্স ডিগ্রি। যেমন—এসিসিএ সম্পন্ন করতে বছরে ৩টি করে বিষয় পাস করলে প্রায় সাড়ে ৪ বছর আর ৪টি করে বিষয় পাস করলে সময় লাগবে সাড়ে ৩ বছর। এসিসিএ অনার্স ইন অ্যাপ্ল¬াইড অ্যাকাউন্টিং ৯টি পেপার ৯০০ নম্বর। এটি প্রতি বছর ৩টি পেপারে পাস করে সর্বোচ্চ ৩ বছর এবং ৪টি করে আড়াই বছরে পাস করা যায়। তবে কারো অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যাহতি পেতে পারে। এসিসিএ-তে ১০০ নম্বরে শিক্ষার্থী ৫০ পেলেই পাস করে। এর পরীক্ষা পদ্ধতি যথেষ্ট সহজ। কোনো এক বিষয় ফেল করলে শুধু ওই বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। যেকোনো বিভাগ থেকে পাস করে এটি সম্পন্ন করা যায়। আর এই কোর্সটি সম্পন্ন করে বিশ্বের যেকোনো দেশে চাকরি করা যায়। কোর্সটি করে বহুজাতিক কোম্পানি বা কর্পোরেট অফিসে উচ্চ বেতনে বিশেষ করে চিফ ফিন্যান্স অফিসার, অডিটর, অ্যাকাউন্টিং পার্টনার, ফিন্যান্স ডিরেক্টর, সিনিয়র ইন্টারনেল অডিটর, বিজনেস অ্যাডভাইসর প্রভৃতি পদে চাকরি করতে পারে। ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে প্রফেশনালদের কাছে এই কোর্সের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।