ফিন্যান্স হতে পারে সাফল্যের সিঁড়ি

শিক্ষার পরই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে কর্মক্ষেত্রের বিষয়টি। উন্নত ক্যারিয়ারের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নানা বিষয় নিয়ে লেখাপড়া করে থাকে। কিন্তু সঠিক বিষয় নির্বাচন না করার কারণে পিছিয়ে যায় অনেকের। এক্ষেত্রে উন্নত ক্যারিয়ারের নিশ্চয়তা দিতে পারে ফিন্যান্স কৌশলধর্মী ডিগ্রি। কারণ এখন ব্যাবসা বাণিজ্যের যুগ। এই যুগে মূলধন এবং এর বিনিয়োগ কৌশল নিয়ে লেখাপড়া করা এক্সপার্ট হতে চায় সবাই। কারণ এটি শিক্ষার্থীকে বিশ্বের সমকালীন চাহিদার উপযোগী ক্যারিয়ার গড়তে সহায়তা করে এবং ফিন্যান্সিয়াল ব্যবস্থাপনায় করে তোলে তুখোর। এটি হচ্ছে বর্তমান প্রজন্মের কাছে একটি সময়োপযোগী স্পেশালাইজড কোর্স। সব ধরনের বিজনেস খাতে দ্রুত চাকরি পেতে বিশ্বের অন্যতম দামি চাকরির কোর্স এইচএনডি ইন ফিন্যান্স। এদেশে ক্যাটেক কোর্সটি চালু করেছে, যাদের ঠিকানা সেক্টর-১১, রোড-২, বাড়ি-১৪, উত্তরা, ঢাকা। ফোন :৮৯৯১৩৭১। এখান থেকে এই ডিগ্রি সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বের ব্যবসা খাতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। আর ফিন্যান্স নিয়ে যারা লেখাপড়া করেন তারা একটি কোম্পানিতে চাকরি করে সেখানের অন্যতম ডিসিশন মেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। কখনও এ ধরনের নির্বাহী প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্মকর্তা হয়ে ওঠেন। শুধু চাকরি নয়, এই কোর্স করে সফল বিজনেস পারসন হওয়ার সুযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, এ ধরনের কোর্স এদেশ থেকে সম্পন্ন করে বিশ্বের যেকোনো দেশে চাকরি করা যায়। এডেক্সেলের আন্ডারে বাংলাদেশেই কোর্সটি করার সুযোগ রয়েছে এবং লেভেল-৬ পর্যন্ত করা যায় স্বল্প খরচে এখান থেকেই। এই কোর্সে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে প্র্যাকটিক্যাল এবং থিউরিটিক্যাল বিষয়। বর্তমান প্রজন্মের জন্য এটি পুরোপুরি একটি সময়োপযোগী কোর্স। যারা সেকেন্ডারি শেষ হতেই কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে চায় তাদের জন্য কোর্সটি খুবই উপযোগী। আবার এই কোর্সে শিক্ষারত অবস্থায়ই পার্টটাইম চাকরি করা যায়। কোর্সটি এসএসসি-এইচএসসি বা ‘এ’ লেভেল-‘ও’ লেভেল সম্পন্নকারীরা শুরু করতে পারে। চার বছরে এনডি-এইচএনডি ডিগ্রি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে ১৮ মাস পর শিক্ষার্থী পায় আন্তর্জাতিক ধারার সার্টিফিকেট লেভেল থ্রি বা এনডি। এর পর আঠারো মাসের লেভেল ফাইভ বা এইচএনডি। এরপর ফাইনাল ইয়ার বা চতুর্থ বছর পায় টপ আপ বিবিএ বা বিএসসি। এই বিষয়ে পাসকরা শিক্ষার্থীরা সাধারণত চাকরি পায় ব্যাংক, বীমা, লিজিংসহ সব ধরনের বিজনেস খাতে। এ ছাড়া ফিন্যান্স নিয়ে লেখাপড়া করার কারণে বিষয়টি অন্যান্য সেক্টরেও মূল্যায়ন করা হয়। শুধু তাই নয়, এটি বিশেষ করে অর্থায়ন ধারার কোর্স হওয়ার কারণে পুরো বিশ্বের ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টের কাছে কোর্সটি সমাদৃত হয়ে আসছে। বিষয়টি সেমিস্টার ওয়াইজ এডেক্সেলের আন্ডারে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। আর এ পর্যায়ে বিশ্বের যেকোনো দেশে এডেক্সেল অনুমোদিত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। যার ফলে এতে ভর্তি হলে চাকরি বা লেখাপড়া যাই হোক বিশ্বের যেকোনো দেশে ভিসা নিয়ে যাওয়া যায় অল্প খরচে ও সহজে।