ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি

হিংসাত্মক রাজনীতি পরিহার করলে দেশের উন্নয়নশীল অর্থনীতির ধারা অব্যাহত থাকবে স্বাধীনতার যে অন্যতম শর্ত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সেটা এখনও অর্জিত হয়নি। আর সেটা শুধুমাত্র একটি কারণে, তা হল রাজনৈতিক হানাহানি। এই রাজনৈতিক হানাহানির কারণে দেশের অর্থনীতি বার বার হোঁচট খেয়েছে। মাঝে মাঝে এই হানাহানি আবার থেমে থাকতেও দেখা যায়, কিন্তু সেটা সাময়িক। যেমন এখন মোটামুটি স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, ফলে দেশের অর্থনীতির চাকা আবার সচল হতে শুরু করেছে। ফলে দ্রুতই উন্নতির গতিও বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু এই অবস্থা কতক্ষণ? পাগলা ঘোড়া যে কোন সময় হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। যদি দেশের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে হিংসাত্মক মনোভাব দূর না হয়। আশিক রিয়াজ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ (২য় বর্ষ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা-১৩৪২। অর্থনীতিই মূল চালিকাশক্তি একটি দেশের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে অর্থনীতি। অর্থনীতির চাকা সচল না রাখলে দেশের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। অর্থনীতির উন্নতি ছাড়া কোনো দেশ কখনো উন্নতির শিখরে পৌঁছতে পারে না। যে দেশের অর্থনীতি যত বেশি শক্তিশালী সেই দেশ তত বেশি উন্নত। আজকের তরুণ প্রজন্ম পারে একটি দেশের অর্থনীতিকে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে দিতে। এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের অবদান কম নয়। একদল রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী পারে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাকে সচল রাখতে। দেশের ১৬ কোটি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাংলাদেশ যেন একটি দারিদ্র্যমুক্ত ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়। দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে হলে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার কোন বিকল্প নেই। আমি একজন তরুণ ছাত্র হিসেবে মনে করি, দেশের অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এই গতিকে সচল রাখতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। মো. মোস্তাফিজুর রহমান (সোহেল) তৃতীয় বর্ষ, দর্শন বিভাগ, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী। এশিয়া মহাদেশের এক নম্বর অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা যেন ঊর্ধ্বক্রম হচ্ছে দিনে দিনে। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে রাজনৈতিক সংঘাত থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি রেখা ক্রমবর্ধমান বেড়েই যাচ্ছে। যা আমাদের মাঝে আশার সঞ্চার করছে যে, অদূরভবিষ্যতে আমাদের দেশের অর্থনীতি অবশ্যই এশিয়া মহাদেশে এক নম্বর অর্থনীতিতে পরিণত হবে। আমরা যদি আমাদের জনসংখ্যার দিকে লক্ষ্য করি তাহলেই বুঝতে পারবো আমাদের দেশ কত বড়, সেটা আয়তনে নয় অবশ্যই সেটা জনসংখ্যায়। এই জনসংখ্যা আমাদের সম্পদ যদি আমরা একে জনশক্তিতে কাজে লাগাই। অবশ্য ধীরে ধীরে তা হচ্ছে যার দরুন আমাদের অর্থনীতি এতোটা সচল এতো বাধাবিপত্তি থাকা সত্ত্বেও। যখন আমাদের দেশের সকল জনসংখ্যা জনশক্তিতে পরিণত হবে তখন দেশের অর্থনীতি শুধু এশিয়া মহাদেশ নয় সারাবিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি হবে। শ্রাবণ মাহমুদ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ (৪র্থ বর্ষ), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা। অর্থনীতি উন্নতি ছাড়া কোন জাতির উন্নতি কল্পনাই করা যায় না অর্থনীতি ছাড়া সত্যিই জীবন অর্থহীন। মানুষের প্রতিটি কর্মপ্রেরণার উত্স হল অর্থনীতি। অর্থনীতি ছাড়া আমাদের জীবন কল্পনা করা যায় না। দৈনন্দিন জীবনের সাথে অর্থ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যেমনভাবে মানুষের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করে তার অর্থনৈতিক অবস্থার উপর, ঠিক সেরকমভাবে কোন দেশের উন্নতি নির্ভর করে সেদেশের অর্থনীতির উপর। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল অনেকগুলো স্বপ্ন নিয়ে। সেই স্বপ্নগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান স্বপ্ন হল, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা। বিগত বছর লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি চরম ধস নেমেছিল। অর্থনীতির ধসের পেছনে বিভিন্ন কারণ বিদ্যমান। কারণগুলোর মধ্যে মূলধনের অভাব, সচেতনতার অভাব, সম্পদ সুষ্ঠু বণ্টনের অভাব, দক্ষ জনবলের অভাব, নারীদেরকে অবহেলা করা, বিদেশি পণ্যর প্রতি আকর্ষণ, রাজনীতি, সময়ের সদ্ব্যবহার না করা প্রভৃতি প্রধান। আমরা যদি এই সমস্যাগুলো অতি দ্রুত সমাধান করতে না পারি, এজন্য গোটা জাতিকে একদিন না একদিন দুর্ভোগ পোহাতেই হবে। দিন দিন অর্থনীতি উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এখনও আমাদের হাতে প্রচুর সময় রয়েছে। আমাদের সকলেরই উচিত সময়ের সদ্ব্যবহার করে সমস্যাগুলো সমাধান করা ও অর্থনীতির উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখা। মো. আওয়াল মিয়া এগ্রিকালচারাল ইকোনোমিক্স বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিবিদদের দেশ, জনগণ ও দেশের ভবিষ্যত্ নিয়ে ভাবা উচিত ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে বিপদগ্রস্ত। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, আমাদের রাজনীতিবিদরা আমাদের আত্মত্যাগের গৌরবময় ইতিহাস ভুলে নিজেদের স্বার্থের জন্য কাজ করেছে। তাদের উস্কানিতে আজ আমাদের সামপ্রদায়িক, সামাজিক, পারিবারিক সমপ্রীতি বিনষ্ট। আমাদের সরকার থেকে শুরু করে একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মকর্তার মাঝেও দুর্নীতি ঢুকে পড়েছে। স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর আজও আমরা প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছি না। স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিকসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদের হিংসাত্মক রাজনীতি পরিহার করে সঠিক গণতন্ত্র চর্চা করতে হবে। রিয়াজ উদ্দিন ৩য় বর্ষ বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়