৩ জন ভিনদেশী প্রোডাক্ট ম্যানেজার

কোনো কোম্পানির প্রোডাক্ট ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারে কি না তা নির্ভর করে প্রোডাক্ট ম্যানেজারের উপর। একটি কোম্পানির প্রোডাক্টের প্রচার যত বেশি হবে, যত ভালোভাবে করা হবে তার সফলতা তত বেশি। আর এই কাজটির পেছনে কাজ করছেন বিখ্যাত কয়েকটি কোম্পানির প্রোডাক্ট ম্যানেজার। তাদের কয়েকজনের কথা জানাচ্ছেন প্রাঞ্জল সেলিম ব্লে কি গ্লো ন বিখ্যাত মোবাইল ফোনের ব্যান্ড নোকিয়া। যদিও অনেকে মনে করেন সম্প্রতি দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসা আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ভিড়ে বেশ কিছুটা পিছিয়ে গেছে নোকিয়া। আর এই নোকিয়া ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন ব্লেকি গ্লোন। তিনি ইউকে ব্রাঞ্চের সাথে কাজ করছেন বেশ কয়েক বছর ধরে। ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যান্ড ই-কমার্সের উপর পড়াশোনা করেন তিনি। পাশাপাশি পার্টটাইমার হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন তিনি। সেখান থেকেই মূলত ক্যারিয়ার ভাবনা শুরু করেন। পড়াশোনা শেষে যোগ দেন নোকিয়া মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে। আর আজ তিনি নোকিয়ার প্রোডাক্ট ম্যানেজারের আসনে বসে আছেন। মা ই কে ল ডে ল ১৯৬৫ সালে যুক্তরাষ্টের টেক্সাসে জন্মগ্রহণকারী মাইকেল ডেল-এর প্রধান পরিচয় তিনি ডেল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী। ১৯৮৪ সালে তার কোম্পানি যখন যাত্রা শুরু করে তখনও তিনি ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের ছাত্র। তার অবিশ্বাস্য অগ্রগতির অন্যতম কারণ তার পণ্যসামগ্রী কিছুটা কম দামে সরাসরি ক্রেতার হাতে পৌঁছানোর কৌশল গ্রহণ। ফলে দ্রুত তিনি বাজার দখল করতে সক্ষম হন। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই তিনি আয় করেন ২৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফোর্বস ম্যাগাজিনের সর্বশেষ হিসাব মতে তার বর্তমান সম্পত্তি প্রায় ১৩.৫ বিলিয়ন ডলার! টি ফ্যা নি র ঙ বিখ্যাত মোটর কর্পোরেশন বিএমডাব্লিউ-এর প্রোডাক্ট ম্যানেজার পদে বহুদিন ধরে কাজ করছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুতে অনেকে অনেক ঝামেলার মধ্য দিয়ে নিজের ভিতটি গড়ে তোলেন। যেমন, ড্যান ব্রাউন তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন হাই স্কুলের ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে নিজের মেধায় তিনি বিখ্যাত হয়েছেন, সুনাম কুড়িয়েছেন সাহিত্যিক হিসেবে। ঠিক তেমনই করেছেন টিফ্যানি। তিনি শুরুতে একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টের ডিশওয়াসার হিসেবে কাজ করে ঘণ্টায় পেতেন আড়াই ডলার। পরবর্তী সময়ে নিজের মেধা আর সৃষ্টিশীলতা দিয়ে আজ বিএমডাব্লিউ-এ কাজ করছেন তিনি।