প্র জ ন্মে র ফে স বু ক

নিখুঁত সৃষ্টি

শখ থেকেই পথচলা শুরু তার। ড্রেস ডিজাইন করতেন নিজের জন্য, আত্মীয়-স্বজন এবং বান্ধবীদের জন্য। সবার প্রশংসা, অনুপ্রেরণা থেকে অনেক দিন ধরেই ভেবেছিলেন একটা ছোট বুটিক হাউস দিয়ে কাজের মাধ্যমে নিজের পরিচিতি গড়বেন। যদিও পড়াশোনার পাশাপাশি একটা বুটিক হাউস পুরো দমে শুরু করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। তাই একটু পরখ করার জন্য অল্প পুঁজিতে বেছে নিলেন ফেসবুককে। ২০১৩ সালের মাঝামাঝিতে ফেসবুকে প্রতিষ্ঠা করলেন ‘নিখুঁত সৃষ্টি’ পেজটি। তিনি মাকসুদা খান বৃষ্টি। সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিবিএ তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। ছোটবেলা সাজসজ্জার বাড়াবাড়ি শখ থাকায় সবাই তাকে ডাকত খোদেজা বেগম নামে! সেই খোদেজা বেগম এখন ‘নিখুঁত সৃষ্টি’ নামক একটি ফেসবুক শপের স্বত্বাধিকারী। যার লাইক সংখ্যা ৩৮২৮০টি। মেয়েদের ড্রেস, টপস, ফতুয়া, শাড়ি, পাঞ্জাবি বানান তিনি। তার বর্তমান ব্যস্ততা আশানুরূপের চেয়ে অনেক বেশি বলে জানালেন তিনি। ক্রেতার সংখ্যা শুধু দেশ নয়, অনলাইন হওয়াতে বিদেশি ক্রেতার সংখ্যাও অনেক। তিনি জানালেন, এই পেশার ভালো দিক হলো অল্প পুঁজিতে ঘরে বসে সারা বিশ্বে নিজের কাজকে তুলে ধরা যায়। নিজের সৃষ্টিশীলতাকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্যই আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের এ পেশায় আসা উচিত। ধৈর্য, সততা এবং বন্ধুবাত্সল্যকে তার স্পেশাল যোগ্যতা বলে মনে করেন তিনি। তিনি পোশাকের গুণগতমান বজায় রেখে স্বল্প মূল্যে ক্রেতার চাহিদা মেটান। এই প্রজন্মের প্রতি পরামর্শ দিতে গিয়ে তিনি বললেন, ‘সফলতা এবং ব্যর্থতার মাঝেই নিজের সৃজনশীলতাকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে।’ নিজের ভবিষ্যত্ স্বপ্ন সম্পর্কে তিনি জানালেন, ‘নিখুঁত সৃষ্টি’কে সবার কাছে পরিচিতি করে তোলা এবং একজন নারী উদ্যোক্তা হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান।