তথ্যদুনিয়া

মোশন সেন্সর

প্রযুক্তি বাজারে নিত্যনতুন নানা প্রযুক্তি পণ্যের সমাহার ঘটছে। সেইসাথে রয়েছে নানাবিধ পণ্যের প্রচুর চাহিদাও। তবে নিঃসন্দেহে বলা যায় স্মার্টফোন রয়েছে চাহিদার শীর্ষে। ভোক্তার অব্যাহত চাহিদার কথা চিন্তা করে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও চেষ্টা করে যাচ্ছে তাদের পণ্যে নতুন নতুন প্রযুক্তির সমাবেশ ঘটাতে। আর তারই ফলে বর্তমানে স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন সেন্সর, যাদের কাজও বিভিন্ন। মানুষ তার চোখ, কান, নাক দিয়ে পরিবেশ থেকে বিভিন্ন অনুভূতি নিতে পারে। কিন্তু যন্ত্রপাতি! তারজন্য চাই সেন্সর যা কিনা পরিবেশের কোনো ঘটনাকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করতে পারে। সেন্সর হলো একধরনের কনভারটর বা পরিবর্তনকারী; যা পরিবেশগত কোনো পরিবর্তনকে একটি সিগন্যালে পরিণত করে যা পরবর্তীতে একটি মাধ্যমে পড়া যায়। অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলগুলো দুটি অংশে বিভক্ত। যথা—হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার। হার্ডওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সেন্সর। সেন্সরগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকে। অধিকাংশ অ্যান্ড্রয়েড চালিত মোবাইলে কিছু বিল্টইন সেন্সর থাকে যা গতি, অভিযোজন এবং বিভিন্ন ্নপ্রকার পরিবেশগত অবস্থা পরিমাপ করে। এই সেন্সরগুলো খুবই দরকারি যদি আপনি একটি ডিভাইসের ত্রিমাত্রিক আন্দোলন, পজিশনিং অথবা ডিভাইসের পরিবেষ্টিত পরিবেশের পরিবর্তন নিরীক্ষণ করতে চান। উদাহরণ স্বরূপ, একটি ডিভাইসের মধ্যাকর্ষণ সেন্সর ব্যবহারকারির অঙ্গভঙ্গি যেমন—ঢাল, ঝাঁকুনি, ঘুর্ণন, দোলন প্রভৃতি থেকে প্রাপ্ত ডেটা ট্র্যাক করে একটি গেম খেলতে সাহায্য করে। অনুরূপভাবে, একটি তাপমাত্রা সংশ্লিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন একটি ডিভাইসের তাপমাত্রা সেন্সর এবং আর্দ্রতা সেন্সর ব্যবহার করে তাপমাত্রা ও শিশিরাঙ্ক নিরূপণ করে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার তথ্য প্রদান করে। অথবা, হতে পারে একটি ট্র্যাভেল অ্যাপ্লিকেশন একটি ডিভাইসের ভূচৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সেন্সর এবং গতিনির্ধারক যন্ত্র ব্যবহার করে দিকনির্দেশনা প্রদান করে। মোশন কিংবা যেকোনো নাড়াচাড়া বোঝার জন্য এটা কাজে লাগে। তাই সিকিউরিটি সিস্টেম থেকে শুরু করে ট্রাফিক কন্ট্রোল- বিভিন্ন জায়গায় এটা কাজে লাগে।