আড্ডামুখর কাবাবজোন
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০১৪, ২০:১৭
বাঙালির কাবাবপ্রিয়তা সুবিদিত। কত রকম কাবাবই না বানান এ নগরের রন্ধনশিল্পীরা! সুতি কাবাব, টিক্কা কাবাব, চিকেন রেশমি কাবাব—বাহারি এত সব কাবাবের পাশাপাশি নানান দেশি-বিদেশি খাবারের সমারোহ নিয়ে বনানী ১১-তে অবস্থিত কাবাব জোন। বন্ধুদের আড্ডায় প্রায়ই মুখর হয়ে ওঠে কাবাবজোন। যা ঘুরে এসে লিখেছেন সাজেদুল ইসলাম শুভ্র ও ছবি তুলেছেন দীপঙ্কর দীপু
বাইরে থেকে দেখতে পাবেন কয়লার আগুনে শিকে ভরা কিমা কাবাব হওয়ার দৃশ্য। অবশ্য রাস্তা থেকেও চোখে পড়বে এই কারসাজি। কারণ কিচেন কর্নারটি একটি কাচের দেয়ালে বন্দী। মৃদু বাতাস আর আলো-আঁধারি পরিবেশ আপনার মনকেও ছুঁয়ে যাবে। সঙ্গীকে একান্ত কিছু কথা বলার বেশ ভালো একটি সময় পেয়ে যাবেন। আর অবিরাম কথার রসদ জোগাবে গরম স্বাদের নরম কাবাব। সঙ্গে গলা ভিজিয়ে নিতে পারেন সফট ড্রিংকসে। আর এতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে আছে রকমারি স্বাদের লাচ্ছি। ভেতরের মূল জায়গাটির পরিবেশ একেবারেই ভিন্ন। পরিবার-পরিজন নিয়ে আসার জন্য বেশ ভালো একটি জায়গা। আসতে পারেন সহকর্মী বা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে। আড্ডার সঙ্গে সময় কেটে যাবে।
নামে কাবাব জোন হলেও ডিনার, বুফে, ফাস্ট ফুড, সি-ফুডের পাশাপাশি ভেজেটারিয়ান ডিসও পরিবেশন করে। তবে এখান চালু আইটেম কিন্তু বারবিকিউ করা পাকিস্তানি মাটন রিবস, চিকেন মালাই টিক্কা, হায়দরাবাদি বিরিয়ানি, ডিপ বিরিয়ানি। এ ছাড়া আফগানি চিকেন ও বিফ বারবিকিউ বেশ চালু আইটেম। আপনি খাঁটি পাকিস্তানি স্বাদের কাবাব খেতে নির্দ্বিধায় আসতে পারেন এখানে। সব বয়সের স্বাদ মেটানোর জন্য বেশ যত্নেই খাবার প্রস্তুত করে তারা। খাবারের মেন্যুতে রয়েছে প্রায় এক শ রকম খাবারের আইটেম। এখানে কাবাবের পাশাপাশি পাবেন ডেজার্ট, ড্রিংকস, সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত মুভেনপিক আইসক্রিম। আর মুভেনপিকের এই বারটা কিন্তু যেনতেন নয়। খোদ মুভেনপিকের কর্মীরাই তদারকি করেন তাদের আইস্ক্রিমের মান আর যাবতীয় সব কিছু। রয়েছে তাদের সেরা কফিও। কাবাব খেতে এসে শেষটায় বসে পড়ুন এখানে।
বসার জন্য আসন ব্যবস্থা বেশ কয়েকভাগে সাজানো। যেমন—দুটি লাউঞ্জের ধারণ ক্ষমতা ২০ ও ১৪। এরপর রয়েছে আইসক্রিমের জন্য, স্মোকিংয়ের জন্য এমন আলাদা করে মোট ১৮০ জনকে একসঙ্গে সেবা দিতে পারে কাবাবজোন। সপ্তাহের খোলা থাকে প্রতিদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।