গ্লোবাল নেতৃত্বের পেশায় আসতে
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০১৪, ২০:২৪
আমাদের দেশে একটি সমাদৃত বিষয় প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং। এটি চাকরি প্রাপ্তির পাশাপাশি দ্রুত কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ার তৈরির নিশ্চয়তা দেয়। ব্যবসা-বাণিজ্য বিষয়ক উচ্চতর পড়াশোনার বিষয় হচ্ছে প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং। সব দেশে স্মার্ট বিজনেসের প্রসারের সাথে ব্যাপকভাবে এই বিষয়ের নির্বাহীদের চাহিদা বেড়ে চলেছে। দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টেন্টস (এসিসিএ) এবং সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান (সিএটি)—দুটিই প্রফেশনাল কোর্স। এসিসিএ হচ্ছে সিপিএ, সিএ, সিএমএ প্রভৃতির সমমানের। এটি জাতিসংঘ স্বীকৃত এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্টেন্টসের মেম্বার। এটি আন্তর্জাতিক ডিগ্রি যে কারণে বিশ্বজুড়েই এ বিষয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র ছড়িয়ে আছে। সিএ এবং এসিসিএ-র মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ এচ্ছে আপডেট কারিকুলাম। এসিসিএ একমাত্র কোর্স যা যেকোনো পর্যায়ে ইংল্যান্ডসহ ১৭৩টি দেশে শতভাগ ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। ফাউন্ডেশন ডিপ্লোমা (এফডি) হচ্ছে এসিসিএ’র এন্ট্রি লেভেলের সুট অব কোয়ালিফিকেশনস। যেকোনো শিক্ষার্থী ডিপ্লে¬ামা লেভেল শেষ করে সরাসরি এসিসিএ’র স্কিল মডিউলে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এসএসসি-এইচএসসি পাশ শিক্ষার্থীরা সিএটি কোর্সে ভর্তি হতে পারে। সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ‘ও’ লেভেল শেষে এফডি-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করা যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :বাড়ি- ৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা। ফোন :৮১৪১৬০১।
বিবিএ-এমবিএ পড়তে হলে এসএসসি পাসের পর এইচএসসি পাসের জন্য দুই বছর, বিবিএ’র জন্য ৪ বছর, এমবিএর জন্য ২ বছর, অর্থাত্ প্রায় ৬-৭ বছর অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু এসএসসি-এইচএসসি’র পর যেকোনো শিক্ষার্থী ৪-৫ বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হতে পারে, একই সাথে বাংলাদেশের ব্যাচেলর ডিগ্রির তিন বছরে পেতে পারে অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটির অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিংসে অনার্স ডিগ্রি। বিবিএ-এমবিএ করতে যেহেতু সময় বেশি লাগে কাজেই খরচও বেশি হয়। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ-এমবিএ করতে ৫-১২ লাখ টাকা লেগে যায়। সেখানে অনেক কম খরচে এসিসিএ সম্পন্ন করা যায়। এই আন্তর্জাতিক প্রফেশনাল ডিগ্রি পরিচালনার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ। এই কোর্সে এদেশে সবচেয়ে বেশি সাফল্য এবং শিক্ষার্থী রয়েছে কলেজটির। এখানে নিজস্ব সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরীক্ষার প্র্যাকটিস্ করানোর ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা ফাইনাল পরীক্ষায় ভালো ফলাফল লাভ করছে। উন্নত কোচিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত ক্লাস, সর্বশেষ সংস্করণের পাঠ্যবই-সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, নিয়মিত প্র্যাকটিস টেস্ট, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণীকক্ষসহ বিভিন্ন সুবিধাদি শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে এখানে।