ওয়েব ডেভেলপার
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০১৪, ২১:২৪
এ সময়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয়, সম্ভাবনাময় ও যুগোপযোগী পেশা হলো—ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং। আর এ ধরনের কাজের মধ্যে বর্তমানে ওয়েব বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার কাজটির বাজার বাড়ছে ক্রমশই। আমাদের দেশের অনেক তরুণ এ বাজারে ঢুকে সাফল্য পাচ্ছেন। তাই অনেকে আগ্রহী হচ্ছেন এই পেশার প্রতি। এই পেশায় কীভাবে আসা যায় ও সাফল্য পাওয়া যায় ইত্যাদি নানা বিষয়ে পরামর্শ দিলেন উদ্যোক্তা ও সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং কোডক্লাউড টেকনোলোজির প্রতিষ্ঠাতা শুভংকর হালদার
ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাজ করা। এই কাজ হতে পারে কোনো প্রকল্পের অংশবিশেষ অথবা সমগ্র প্রকল্প। ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের এক বিশাল বাজার। উন্নত দেশগুলো উত্পাদন খরচ কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। নিজের দেশে থেকে উন্নত দেশের একজন এক্সপার্টের মতো উপার্জন করা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমেই সম্ভব। বাংলাদেশের প্রায় ৫০,০০০ কর্মী নিয়মিত ওডেস্ক, ইল্যান্সসহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করছে। দেশে এখন অনেকেই আছেন যারা মাসিক ২০০০ ডলারের বেশি উপার্জন করছেন। আবার অনেকেই সরাসরি যোগাযোগ করে মার্কেটপ্লেসের বাইরে রিমোট এক্সপার্ট হিসেবে ফুলটাইম কাজ করছেন। আর এভাবেই দেশের বেকার সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান হচ্ছে, অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে। আউটসোর্সিং কাজের মধ্যে রয়েছে—প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, গেম ডেভেলপমেন্ট, থ্রি-ডি অ্যানিমেশন, এস-ই-ও, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি। ইংরেজিতে ভালো এমন যে কারো এ পেশায় আসার সুযোগ রয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য উল্লিখিত কোনো একটি সেক্টরে দক্ষতা থাকা জরুরি। বর্তমানে ওয়েব বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বেশি আয়ের ক্ষেত্র। কাজের প্রতি ভালোবাসা আছে ও পরিশ্রম করতে সক্ষম—এমন মানুষ এক্ষেত্রে সফল হতে পারবেন সহজে। আপনি আগে নির্ধারণ করুন কোন সেক্টরের কাজের জন্য আপনি বেশি উপযুক্ত। আর কাজ শেখার জন্য গুগল হতে পারে আপনার সেরা শিক্ষক। পাশাপাশি বিভিন্ন সফল মানুষের পরামর্শ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ বা ট্রেনিং দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। নিজেকে দক্ষ কর্মী হিসেবে প্রস্তুত করুন, প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির চেয়ে আপনার কারিগরি দক্ষতা অনেক বেশি জরুরি এই আউটসোসিংয়ের বাজারে।