হোমিও ওষুধের অবৈধ কারখানা সিলগালা
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০১৪, ২২:২৮
উত্তর বাড্ডায় মডেল হোমিও কমপ্লেক্স নামে হোমিওপ্যাথি ওষুধের একটি অবৈধ কারখানা সিলগালা করে দিয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সকাল থেকে প্রায় আট ঘণ্টাব্যাপী চলে এ অভিযান। এ সময় ঐ কারখানাটির মালিকসহ ১১ জনকে কারা ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
র্যাব-১০ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর তৌফিকুল বারী জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উত্তর বাড্ডার আলীর মোড় এলাকার ২৮৫ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। পাঁচতলা ঐ বাড়ির নিচতলা ও দোতলায় মডেল হোমিও কমপ্লেক্সের কারখানা ও কার্যালয়। তাদের ছয়টি ওষুধ তৈরির অনুমোদন রয়েছে। কিন্তু তারা অনুমোদন ছাড়াই আরও ২৫টি ওষুধ তৈরি করে বাজারজাত করছিল। অভিযানিক কর্মকর্তাদের কাছে তারা প্রথমে দাবি করেন, সব ওষুধ তৈরির অনুমোদনই তাদের রয়েছে। ঐ ২৫টি ওষুধ তৈরির অনুমোদনপত্রও তারা দেখায়। পরে সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা পরীক্ষা করে জানান, অনুমোদনপত্রটি ভুয়া। এ পর্যায়ে কারখানার মালিক ডা. বাবর আলীসহ অন্য কর্মকর্তারাও বিষয়টি স্বীকার করেন। তারা ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালকের স্বাক্ষর নকল করে ওই অনুমোদনপত্র নিজেরাই বানিয়ে নিয়েছেন বলেও জানান।
মেজর তৌফিকুল বারী জানান, র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ মোহাম্মদ ফরহাদ কারখানার মালিক বাবর আলীকে এক বছরের কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। সেখানকার কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, নাজিম উদ্দিন, আবু মুহাম্মদ রুইয়ানসহ চারজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ছয়জন কর্মচারীকে বিভিন্ন অংকের জরিমানা করা হয়। পরে ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়।