সফল আয়োজনে স্বস্তিতে বিসিবি
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০১৪, ২২:৩৮
বিশ্বকাপ শুরুর একমাস আগেও কেউ নিশ্চিত ছিল না, বাংলাদেশে এই আয়োজন হবে কি না। কার্যত বাংলাদেশের ইতিহাসের বৃহত্তম এই আয়োজন শুরুর এক সপ্তাহ আগেও ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা বিভিন্ন মহলে ছোটাছুটি করেছেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, অংশগ্রহণকারীদের আশ্বস্ত করতে এবং আইসিসিকে নিশ্চিত করতে। তখনও মনে প্রশ্ন ছিল—শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিশ্বকাপের খেলা গড়াবে তো!
সব প্রশ্নের জবাব মিলে গেছে। আর কয়েকটা মাত্র ঘন্টার অপেক্ষা। তারপরই অত্যন্ত সফলভাবে শেষ হবে প্রায় মাসব্যাপি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং প্রায় তিন মাস ধরে চলা টানা ক্রিকেটের যজ্ঞ। দুই জায়গার আয়োজকদের ধন্যবাদ দেয়ার পাশাপাশি আইসিসির সন্তোষটাও জানিয়ে দিলেন, ‘এখন পর্যন্ত ঢাকায় সেমিফাইনাল শেষ হয়েছে। সিলেট ও চট্টগ্রামে সবগুলো ম্যাচ শেষ হয়েছে। সিলেট ও চট্টগ্রামকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। আপনারা জানেন যে কিছু দিন আগে আমি আইসিসির প্রেসিডেন্টকে নিয়ে চট্টগ্রাম ও সিলেটে পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। তিনি অনেক প্রসংশা করেছে। এতো সুন্দর মাঠ, খেলার আয়োজন সবকিছু দেখে তারা প্রসংশা করেছে।’
সফল এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গাটা ছিল নিরাপত্তা। দেশের পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যাওয়ায় সে নিয়ে খুব চিন্তায় পরে পড়তে হয়নি বোর্ডকে। সেই ব্যাপারেও স্বস্তির ছোঁয়া পাপনের কণ্ঠে, ‘এখন পর্যন্ত তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশা করি সামনেও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না । কাল ফাইনাল ম্যাচ আছে আশা করি ঠিক মতো করতে পারবো।’ তবে এখন পর্যন্ত যতোদূর সফলভাবে এগিয়েছে, সে জন্য সকলকে ধন্যবাদ দিতে ভুললেন না সভাপতি, ‘এ টুনামেন্ট সফল হওয়ার পেছনে অনেকের অবদান আছে। কালকে ফাইনাল শেষ হলেই হয়। আমি মনে করি এ জিনিসটা অত্যন্ত জরুরি সবাইকে জানানো। সাফল্যের কয়েকটা ভাগ আছে এ টুর্নামেন্টে। একটা হচ্ছে এখানে যে খেলাটা হচ্ছে এটা আমরা জানতে পেরেছি জানুয়ারির ২০ তারিখ। এটাতে সবচেয়ে বেশি রোল যদি কেউ করে থাকে সেটা হলো নিরাপত্তা ইউনিট। স্টেডিয়ামের লজিস্টিক যে সাপোর্ট সেটা মাননীয় প্রধামন্ত্রী অর্থাত্ সরকারের এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের। মাঠে খেলা শুরুর পর যা কিছু সাফল্য এর সবই দর্শক। বাংলাদেশের দর্শকরাই আসলে এ টুর্নামেন্টে আমাদের সফল করেছে। সাথে সাথে আমি অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে চাই, আমি মনে করি বিরাট অবদান রেখেছে আমাদের মিডিয়া। এ ২টি ইস্যু নিয়ে কারো কোন দ্বিমত থাকার সুযোগই নেই। ’