মিডিয়া ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট

এই পেশাজীবীরা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিডিয়া প্রোমোশন প্ল্যানিং এবং ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট করে থাকেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের যে বিজ্ঞাপন বা প্রমোশন দেখতে পাওয়া যায় তার প্ল্যানিং ও কাজের প্রক্রিয়া ঠিক করেন তারা। নতুন ও সম্ভাবনাময় পেশাটিতে সফলতা অর্জনসহ করা যায় এসব নানা বিষয়ে প্রজন্মকে পরামর্শ দিলেন বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠিত হাভাস মিডিয়া বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদা শামীমা বেলী মিডিয়া নামক ইন্ডাস্ট্রিটা ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমানে এখানে কাজের প্রচুর ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এবং আরও হবে। মিডিয়া ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট পেশায় অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ করার সুযোগ আছে। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার সুযোগ আছে এবং নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করা যায়। যারা গতানুগতিক কাজ পছন্দ করেন না তাদের জন্য এই পেশা অনেক পছন্দের হবে বলে মনে করেন তিনি। এই পেশাতে দেশে ও দেশের বাইরে কাজের অনেক সুযোগ আছে এবং নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করা যায়, তাই তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি আদর্শ পেশা। যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়েই এই পেশায় আসা যায়। ভালো করতে হলে বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ড থাকাটা প্রয়োজনীয়। কম্পিউটার বিষয়ে ভালো জ্ঞান ও প্রেজেন্টেশন স্কিল থাকাটা জরুরি। বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা এই পেশায় আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং যুক্ত হচ্ছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এই পেশা বিষয়ক শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ও নতুন নতুন কোর্স সংযুক্ত করছে। অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন অ্যাডভারটাইজিং এবং মিডিয়া কমিউনিকেশন বিষয়টির উপর আলাদা ডিপার্টমেন্ট করেছে। তাছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এখন অ্যাডভারটাইজিং বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে শেখানো হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এসব জায়গা থেকে অর্জন করার পরামর্শ দেন তিনি। প্রত্যেক পেশার ভালো-খারাপ দিক থাকবে। যেকোনো সেক্টরেই ভালো করার প্রধান শর্ত হচ্ছে কাজের প্রতি ভালোবাসা ও ডেডিকেশন। এই পেশায় আলাদাভাবে লাগে মার্কেটিং ও ব্র্যান্ড বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান। কারো মধ্যে যদি সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা থাকে তাহলে তাকে এই পেশায় আসার পরামর্শ দেন এই মিডিয়া কর্মকর্তা। তার মতে, এই পেশা তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ ভালো সাড়া ফেলেছে। এখনকার প্রজন্ম অনেক স্মার্ট। তারা অনেক ভালো বোঝে। তাদের উচিত এ ধরনের সৃজনশীল পেশাগুলোতে সম্পৃক্ত হওয়া।