শাড়িতে বাঙালির ঐতিহ্য
প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৪০
শাড়ি বাঙালি নারীদের জীবনের সঙ্গে যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। যে যতই আধুনিক হোক না কেন, শাড়ির প্রতি তার আলাদা কিছু দুর্বলতা থাকবেই। আগের প্রজন্ম থেকে শুরু করে বর্তমান প্রজন্মকেও সমানভাবে ছুঁয়ে যায় শাড়ি। এবার এই শাড়ি নিয়েই হয়ে গেল এক প্রদর্শনী। ‘শাড়ি :দ্য আর্ট অব ড্রেপিং’ নামে এই প্রদর্শনী নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন
বাঙালি নারী আর শাড়ি—এ যেন একে অপরের জন্যই। বারো হাত একখানা শাড়ির সৌন্দর্যের কাছে যেন হার মানে অন্যসব পোশাকই। আর তাই তো বাঙালি নারীদের কাছে শাড়ি খুব শখের একটি পোশাক। রংবেরঙের শাড়ি ছোট-বড় সব নারীর শরীরে শোভা পায়। শাড়ি বাঙালি নারীদেরকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। আর এই শাড়ি নিয়ে গত ২৮ মার্চ আড়ং উদ্বোধন করল ‘শাড়ি :দ্য আর্ট অব ড্রেপিং’ নামে শাড়ির মেলা। আড়ংয়ের গুলশান ও উত্তরা ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটে এই প্রদর্শনী চলছে। তামারা হাসান আবেদ ও চন্দ্র শেখর সাহা এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ও আড়ংয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুই বছর ধরে এই প্রদর্শনীর জন্য আয়োজন চলে। প্রায় ১০ জন ডিজাইনার, ১০০ জন কারুশিল্পী ৭ বিভাগে ১৭টি কনসেপ্টে কাজ করেছেন। প্রায় ১৮০টি আইডিয়া নিয়ে কাজ করে ১৪০০ শাড়ির একটি বৈচিত্র্যময় বর্ণিল সম্ভার সৃষ্টি করেছেন। প্রদর্শনী ঘুরে দেখা গেল, জামদানি, সিল্ক, হাফ সিল্ক, রাজশাহী সিল্ক, সুতি, তাঁত, মসলিন, কাতান—সব ধরনের শাড়িই আছে। হাতের কাজের প্রাধান্য রয়েছে শাড়ির নকশায়। একই সঙ্গে প্যাচওয়ার্ক, পুঁতির কাজসহ স্ক্রিনপ্রিন্টও চোখে পড়ল। তবে দেশি শাড়ির সঙ্গে বিদেশি ঢঙের পাড়ের ফিউশন বেশ চমত্কার। শাড়িগুলোর দাম থাকছে সব শ্রেণীর ক্রেতার নাগালে। এখানে এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা দামের শাড়ি যেমন আছে, ৬০০ টাকার শাড়িও রাখা আছে সযত্নে। শাড়ির ধরন অনুযায়ী ওঠানামা করবে দাম। প্রদর্শনী শেষ হবে আগামী ৭ এপ্রিল। চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।