চল্লিশ কোটি টাকা চায় বাফুফে
প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৩৭
ফুটবল কার্যক্রম পরিচালনা করতে সরকারি সহয়তার জন্য হাত বাড়াবে বাফুফে। সরকারে সাথে আলোচনা করে ৪০ কোটি টাকার বাজেট পাঠাবে বলে গতকাল বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন। জুনে বাজেট ঘোষণার আগেই বাফুফের পূর্ণাঙ্গ একটি বাজেট পাঠানে হবে। যেখানে ফুটবল উন্নয়নে এক বছরে ৪০ কোটি টাকা ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাফুফের প্রশাসনিক ব্যয়, জাতীয় দলের কোচদের বেতন, পুরুষ ও মহিলা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ, বিদেশি দলের সাথে ম্যাচ খেলা, খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়া সামগ্রী ক্রয়, জেলা ফুটবল, ফুটবল একাডেমী পরিচালনা, প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ, তৃতীয বিভাগ ফুটবল লিগ পরিচালান এবং বাফুফের বছরব্যাপী অন্য ফুটবল খেলাসমূহ পরিচালনার জন্য সরকারের কাছ থেকে অর্থ চাওয়া হবে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের বরাত দিয়ে ৪০ কোটি টাকার বাজেট তৈরি করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা বাজেট তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছি।
ছুটিতে গেলেন ফুটবল কোচ
জাতীয় ফুটবল দলের ডাচ কোচ লুডভিক ডি ক্রুইফ এবং তার সহকারি রেনে কেস্তার গতকাল সকালে দেশে গেছেন। বাফুফে জানিয়েছে এই কোচ দু’জন তিন সপ্তাহের ছুটিতে দেশে গেছেন। জাতীয় দলের কাজ নেই বলেই নাকি ছুটি দেয়া হয়েছে। তবে ডাচ কোচরা মে মাসে ফিরবেন বলা হলেও তারা নির্ধারিত সময়ে ফিরবেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ গতকাল জানিয়েছেন কোচরা আমাদের কাছ থেকে ছুটি নিয়ে দেশে গেছেন। বেতনে সাথে ছুটির কোনো সম্পর্ক নেই। আসা না আসার কোনো সম্পর্ক নেই। তিন সপ্তাহের ছুটি দেয়া হয়েছে তাদের।’ তিনি বলেন, এখন জাতীয় দলের কোনো কার্যক্রম নেই হাতে। গত বৃস্পতিবার বেতন দেয়া হয়েছে। তিন মাসের বেতন বাকি আছে।’ ফিরবেই যখন কোনে গুলশানে কোচদের ফ্ল্যাট ছেড়ে হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন পয়ত্রিশ শ’ স্কয়ার ফুটের দুটি ফ্ল্যাট কোচরাই নিজ উদ্যোগে ছেড়ে দিতে বলেছেন। কারণ তাদের স্ত্রী-সন্তানরা কেউ থাকেন না এখানে। তারাই পরামর্শ দিয়ে গেছেন হোটেলে রুম নেয়ার জন্য। যেখানে এসে উঠবনে বলে জানিয়ে গেছেন।’ কিন্তু হোটেল কেন, সোহাগ বলেন, হোটেলে সকালের নাস্তা পাওয়া যায়, লন্ড্রি সুবিধা, ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়, সর্বক্ষণ রুম সার্ভিস নিশ্চিত। এই সুবিধা ফ্ল্যাটে পাওয়া যাবে না। নিজেদের নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার তৈরি করে খেতে হয়। পরিবার নেই। ওরা এতো কষ্ট করতে নারাজ। তাই হোটেলই তাদের পছন্দ।’ গত বছর ১ জুলাই ডাচ কোচদের সাথে এক বছরের চুক্তি করে বাফুফে। এই মেয়াদ শেষ করতে হলে বাফুফেকে পুরো বেতন দিয়েই কোচ বিদায় করতে হবে। মাসে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হয় দুই কোচের পেছনে।