সামাজিক অংশগ্রহণে সহায়তা করে নিরাপত্তা বেষ্টনি

বাংলাদেশের চর ও পাহাড়ী এলাকায় বসবাস করা অতিদরিদ্র মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সামাজিক অংশগ্রহণে সহায়তা করে। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ইংল্যান্ডের ওভারসীজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট যৌথভাবে করা একটি গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল রবিবার ব্র্যাক সেন্টারে এই গবেষণার উপর একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এইচ এম আব্দুল্লাহ, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গবেষণা পরিচালক হাজিকুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর ড. ফেরদৌস জাহান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. জহির আহমেদ, ড. সুলতান হাফিজ রহমান, ড. মিনহাজ মাহমুদ এবং ইংল্যান্ডের ওডিআই থেকে ছিলেন রিসার্চ ফেলো ড. রেবেকা হোমস ও জেসিকা হেগেন জেংকার। সেমিনারে ড. ফেরদৌস জাহান বাংলাদেশ অংশের প্রাপ্ত তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি দেখান, চর এবং পাহাড়ী অঞ্চলে বিভিন্ন প্রোগ্রাম কিভাবে শ্রমজীবীদের পারিবারিক আয়, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, তাদের সন্তানদের শিক্ষা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি তাদের ধারণায় কি ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। এছাড়া তিনি নারীদের অংশগ্রহণমূলক ক্ষমতায়নের কথা বলেন। ড. এ. এইচ এম আব্দুল্লাহ বলেন, বর্তমান গবেষণা সামাজিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শ্রমজীবীদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তিকরণে ভালো ভূমিকা রেখেছে। এই বিশ্লেষণ থেকে এটা সহজেই বোঝা যায়। ড. জহির আহমেদ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী একটা বড় বিষয়। এখানে মানুষে মানুষে সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ড. মিনহাজ মাহমুদ বলেন, বর্তমান গবেষণা সামাজিক নিরাপত্তা ফোকাস করেছে। দেশের আড়াই ভাগ মানুষ কোন না কোন প্রোগ্রাম থেকে সামাজিক নিরাপত্তা পায়।