ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ বাড়াতে চাপ দূতাবাসগুলোর

বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিদেশি কর্মকর্তাদের ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ বাড়াতে চাপ সৃষ্টি করছে কয়েকটি দূতাবাস। তারা চাইছেন এ ধরনের কর্মকর্তাদের ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বছর করা হোক। বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. এস এ সামাদ এ কথা জানিয়েছে। তিনি বলেন, বিদেশি যে দেশগুলোর এ দেশে লিয়াঁজো কিংবা শাখা অফিস, বায়িং অফিস রয়েছে সেদেশগুলোর কর্তাদের চাকরির মেয়াদ বাড়াতে চাপ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, বিশেষ দুটি দেশ এ মেয়াদ বাড়াতে ‘শক্তিশালী চাপ’ প্রয়োগ করছে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে ফরেন ইনভেষ্টরস চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ (ফিকি) আয়োজিত মাসিক মধ্যাহ্ন ভোজ সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ফিকি’র নির্বাহী পরিচালক এম. এ. মতিনের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফিকি’র প্রেসিডেন্ট রূপালী চৌধুরী। ড. এস এ সামাদ আরো বলেন, কোন বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে দীর্ঘকাল পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারে, তাতে কোন বাধা নেই। কিন্তু ওয়ার্ক পারমিটের বিষয়টি বেশি পুরোনো নয়। সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত তারা এ পারমিটের মাধ্যমে বাংলাদেশে কাজ করতে পারবে। যদি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়, তাহলে তারা মেয়াদ শেষ হলে ফিরে গিয়ে নির্দিষ্ট বিরতি দিয়ে পুনরায় এদেশে কাজ করতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সরকারের এ নীতিমালাটি যথাযথ ভাবে পালন করার আহ্বান জানান তিনি। দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি ভালো উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ দেশে এখন বিনিয়োগ ঝুঁকি খুবই কম। বিগত রানৈতিক অস্থিরতায়ও পর্যাপ্ত বিনিয়োগ এসেছে।