মুক্তিযুদ্ধের আখ্যান ‘জ্যোতিসংহিতা’
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০১৪, ২২:০২
বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়া এক মুক্তিযোদ্ধার জীবন এবং তার গৌরবময় যুদ্ধের আখ্যান নিয়ে বুধবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘জ্যোতিসংহিতা’। হবিগঞ্জের নাট্য সংগঠন ‘জীবন সংকেত’ গতকাল এটি মঞ্চস্থ করে। জগেজ্যাতি মুক্তিযুদ্ধের সময় ভাটি এলাকায় একের পর এক সফল যুদ্ধ অভিযান সম্পন্ন করেছেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মরিয়া হয়ে ওঠে জগেজ্যাতি ও তার দলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। এক পর্যায়ে তাঁকে হত্যা করতে সমর্থ হয় তারা। এরপর জগেজ্যাতির মৃতদেহ নিয়ে তাঁর বাবা-মা ও গ্রামবাসীর সামনে বর্বর- পৈশাচিক উল্লাসে মেতে ওঠে রাজাকার বাহিনী। কিন্তু জগেজ্যাতির মৃত্যু হলেও তাঁর আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। সারাবাংলার মানুষের দুর্বার মুক্তির আকাঙ্ক্ষার কাছে পরাজিত হয় পাকিস্তানি বাহিনী।
নাটক ইতিহাস বর্ণনা নয় বরং কাহিনী বর্ণনার ফাঁকে মাধ্যমে ইতিহাস উঠে আসে। ইতিহাসাশ্রয়ী নাটককে দর্শকদের সামনে জীবন্তরূপে হাজির করলেন ‘জীবন সংকেত’ এর কলাকুশলীরা। তুলে ধরা হয় জগেজ্যাতির লড়াই এবং সেই বীর যোদ্ধার বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়ার কথা।
নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্যামা ধর, অনিরুদ্ধ কুমার ধর শান্তনু, রুমা মোদক, সৈয়দ আব্দুল বাকী ইকবাল, সনজিত সিনহা বাপ্পী, রিংকু দেব, সুজন চৌধুরী, মাঝহারুল ইসলাম পাভেল, সৌরভ বিকাশ দেব, আজহারুল ইসলাম মুরাদ, কাজী লুত্ফুর রহমান, নজরুল ইসলাম, রবিউল আমিন রবি, মোজাম্মেল হক চৌধুরী সোহান ও মুনিরুজ্জামান রুমন, নূরুল গাজী খোকন, রনি তালুকদার, রওনাক আলভী রাইসা, শ্যামা ধর তুরিন ও পরনা, মোঃ সবুজ প্রমুখ।