বায়ার্নকে নিয়ে আমি গর্বিত
গার্দিওলা
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০১৪, ২২:১২
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠে প্রথম লেগে ১-১ গোলে ড্রর পর দ্বিতীয় লেগেও পিছিয়ে পড়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। সেখান থেকে ৩-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে গত বুধবার রাতে স্বাগতিক দর্শকদের সামনে দুর্দান্ত এক প্রত্যাবর্তন গল্পই লিখলো বুন্দেসলিগা শিরোপাধারীরা। আর দলের এমন পারফরম্যান্সের পর শিষ্যদের অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসিয়েছেন বায়ার্ন কোচ পেপ গার্দিওলা।
ইউনাইটেডের রক্ষণাত্মক কৌশলের পরও তাদের জালে তিনবার বল পাঠানো বায়ার্নের আক্রমণভাগের প্রশংসা করে গার্দিওলা বলেন, ‘বক্সের মধ্যে আটজন খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে খেলাটা কোন সময়েই সহজ নয়। ম্যানচেস্টারেও আমরা একই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবেলা করেছিলাম। তাই আমাদের পরিকল্পনা ছিল মাঝমাঠে আরো বেশি পাস খেলার চেষ্টা করা। এক্ষেত্রে আরিয়েন রোবেন, ফ্রাঙ্ক রিবেরির মতো খেলোয়াড়দের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা প্রয়োজন ছিল; কিন্তু, ম্যানচেস্টার, চেলসি, আর্সেনাল; সবগুলো দলই বাতাসে ভাসানো বলে দখল নিতে সিদ্ধহস্ত।’
এই সব বাধা অতিক্রম করে যোগ্য দল হিসাবেই বায়ার্ন সেমিতে উঠলো বলে সাবেক বার্সেলোনা কোচের বিশ্বাস, ‘১-১ গোলে ঐ ড্র’র পর আমরা আজ (বুধবার রাতে) আসলেই দারুণ খেলেছি। সেমিফাইনালে খেলতে পারাটা আমাদের প্রাপ্যই ছিল।’
প্যাট্রিক এভরার ৫৭ মিনিটের গোলে পিছিয়ে পড়ার ঠিক পরপরই ঘুরে দাঁড়ায় বায়ার্ন। মারিও মান্ডজুকিচের গোলের পর দলের জয় নিশ্চিত হয় মুলার ও রোবেনের গোলে।
এই জয় শেষ চারে বায়ার্নকে আত্মবিশ্বাসী করে তুললেও অন্য তিন সেমিফাইনালিস্ট রিয়াল মাদ্রিদ, চেলসি ও অ্যাটলেটিকোর যে ফাইনালে যাওয়ার সমান সুযোগই থাকছে, গার্দিওলা স্বীকার করেছেন সেটাও, ‘প্রত্যেকটি দলই দারুণ। রিয়াল মাদ্রিদের দলটি দুর্দান্ত। দলে বেশ কিছু অসাধারণ খেলোয়াড় আছেন। তাছাড়া, জাভি আলোনসো, (লুকা) মডরিচের মতো খেলোয়াড় বলের দখলও ধরে রাখতে পারেন। অ্যাটলেটিকোর বিষয়টিও তেমনই। অ্যাটলেটিকো (গত চল্লিশ বছরে) এবারই প্রথমবারের মতো সেমিতে খেলছে। সুতরাং, এই মুহূর্তে সমর্থকদের কাছ থেকে যে সমর্থন তারা পাবে সেটা হবে অবিশ্বাস্য। তাদের বিরুদ্ধে খেলাটা মোটেই সহজ হবে না। আর চেলসি হচ্ছে এমন একটি দল যাদের অভিজ্ঞতার কোন কমতি নেই। (পিটার) চেক, (বার্নিস্লাভ) ইভানোভিচ, (জন) টেরি এবং (ফ্রাঙ্ক) ল্যাম্পার্ডের মতো খেলোয়াড় আছে তাদের। তাছাড়া (হোসে) মরিনহোর মতো একজন কোচও আছেন যার অভিজ্ঞতা অতুলনীয়।’