ফায়ার অন আইস
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৩২
এয়ারপোর্ট পার হয়ে উত্তরার দিকে যাচ্ছেন, জসীমউদ্দিন এভিনিউয়ের কাছাকাছি পৌঁছুলেই বামদিকে খেয়াল করবেন বিশাল এক গিটার ঝুলানো। গান হয় এখানে? হ্যাঁ, তবে তার সাথে রয়েছে মজার সব খাবারদাবার। অনেকেরই প্রিয় এই জায়গাটার নাম ফায়ার অন আইস। সুন্দর স্থাপত্যশৈলী, সেই সাথে দারুণ সব খাবার আর গানের আয়োজন শুরু থেকেই মুগ্ধ করে রেখেছে সবাইকে। সম্প্রতি ফায়ার অন আইস ঘুরে এসে লিখেছেন সাজেদুল ইসলাম শুভ্র ছবি তুলেছেন দীপঙ্কর দীপু
প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর গানের পসরা বসে এখানে। এলেই বিনে পয়সাতেই উপভোগ করতে পারবেন পছন্দের গান। আর বিশেষ দিবসগুলোতে তো কথাই নেই, বসে গানের মেলা। এখানে গানের দিকে নজর বেশি বলে যে খাবারের মান খারাপ হবে, তেমনটা মনে করার একদমই অবকাশ নেই। পছন্দের অনেক রকম খাবার পেয়ে যাবেন এখানে। ফাস্টফুড পছন্দ করেন যারা তারা এদের বার্গার, স্যান্ডউইচ খেয়ে দেখতে পারেন। স্বাদটা যে ভিন্ন, সেটা টের পাওয়া যাবে। রয়েছে তান্দুরী চিকেন আর হরেক পদের নান। একটা খাবার খেতে চাইলে সেটা তান্দুরী হওয়া চাই। ফায়ার অন আইসের জুসবারের খ্যাতি রয়েছে শহরজুড়ে। ফ্রেস যেকোনো ফলের জুসই এখানে পাবেন আপনি। এই মৌসুমে কাঁচা আমের জুসটা খেতে নিশ্চয়ই মন্দ হবে না। ইদানীং খাবারের তালিকায় যুক্ত হয়েছে থাই, চাইনিজ আর ইন্ডিয়ান ফুড। ভোক্তার পছন্দের কথা বিবেচনায় রেখেই মাঝে মাঝে স্বাদের ভিন্নতা আনা হয়। নতুন যেকোনো ধরনেরই খাবার আনা হোক না কেন, পরিচালকদের পছন্দসই হতে হবে। ব্যবস্থাপক মাসুদ রানা রুবেল জানালেন, তাদের খাবার পরিবেশন থেকে শুরু করে তৈরি, সবখানেই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হয়, সেজন্যই নির্দ্বিধায় মুখে দিতে পারেন মোহনীয় এই স্বাদ। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য দিনে রাতে আলাদা সেট মেন্যুর ব্যবস্থা রয়েছে। দুপুরের খাবারে দুই শ টাকার ভেতরেই পছন্দের কোনো সেট মেন্যু পেতে পারেন। রাতেও একই রকম সেট মেন্যুর ব্যবস্থা রয়েছে। আর সবক্ষেত্রেই দামটা অন্য এ রকম রেস্টুরেন্টের সাথে মিলিয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা হয়েছে। শুধু খাবার পরিবেশনই নয়, রয়েছে পার্সেল সুবিধাও। জন্মদিন, গেট টুগেদার, মিটিং পার্টিসহ যেকোনো অনুষ্ঠান করার ব্যবস্থা রয়েছে। নিরিবিলি বসে গান শোনা এবং আয়েশ করে খেতে যেতে পারেন ফায়ার অন আইস রেস্টুরেন্টে। এখানে পাবেন ইন্ডিয়ান, আমেরিকান ও ফাস্টফুডজাতীয় খাবার। রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার মো. শরীফ জানান, এখানকার খাবার অর্ডার নেওয়ার পরই তৈরি করা হয়। গ্রাহকের চাহিদাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয় বেশি। শুধু খাবার পরিবেশনই নয়, রয়েছে পার্সেল সুবিধাও। জন্মদিন, গেট টুগেদার, মিটিং পার্টিসহ যেকোনো অনুষ্ঠান করার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিদিনই সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ফায়ার অন আইস গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। ঠিকানা :বাড়ি-২, রোড-৯, সেক্টর-১, উত্তরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা।