তারুণ্য.কম
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৩২
গ্রন্থনা : প্রাঞ্জল সেলিম
জানার দুনিয়া
হো য়া ট স অ্যা প
বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে এসএমএস বার্তা পাঠানোর জন্য বিকল্প অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ সবচেয়ে জনপ্রিয়। জানা গেছে, প্রতিদিন তাদের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ১ হাজার কোটি বার্তা পাঠানো হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। সাম্প্রতিক সময়ে গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপ্লিকেশন ১০০ মিলিয়ন ডাউনলোডের মাত্রা অতিক্রম করেছে ও অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে প্রতিনিয়তই সেরা অ্যাপ্লিকেশনের তালিকায় রয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ এমন এক মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন যা প্রায় সকল মোবাইল প্ল্যাটফর্ম যেমন আইফোন, অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ ফোন, ব্ল্যাকবেরি এমনকি সিম্বিয়ানেও ব্যবহার করা যায়। এর ভয়েস চ্যাটিং ঠিক সাধারণ ভয়েস কলের মতো না। হোয়াটসঅ্যাপ আপ্লিকেশন দিয়ে আপনি আপনার কথা রেকর্ড করে তা আপনার কন্ট্যাক্ট লিস্টে থাকা বন্ধুদের পাঠিয়ে দিতে পারবেন। এই তো মাসখানেক আগে হোয়াটসঅ্যাপ অডিও ফাইল সংযুক্তির সুবিধা এনেছিল। এখন ভয়েস চ্যাটিং সুবিধার কারণে ইউজাররা চ্যাট করার সময়েই একে অন্যের রেকর্ডিং শুনতে পাবেন, সাথে সাথে টেক্সট, ফটো এবং অডিও চ্যাটও চালিয়ে যেতে পারবেন। অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে :http://www.whatsapp.com/
গেম কর্নার
রি মে ম্বা র মি
অ্যাকশন ও অ্যাডভেঞ্চারের সমন্বয়ে ‘রিমেম্বার মি’ গেমটি তৈরি করা হয়েছে। রিমেম্বার মি নামটা যেমন একটু ভিন্ন রকম, গেমটাও ঠিক তাই। গেমটা বেশ ইউনিক। নতুন অনেক কনটেস্ট এ গেমে যুক্ত করা হয়েছে, যা আগে কোনো গেমে দেখা যায়নি। রিমেম্বার মি গেমটি ডেভেলপ করেছে ডোন্টনড এন্টারটেইনমেন্ট এবং পাবলিশ করেছে ক্যাপকম ২০১৩ সালের জুন মাসে উইন্ডোজ, প্লেস্টেশন ৩ এবং এক্সবক্স ৩৬০-তে। গেমের পটভূমি ২০৮৪ সালের প্যারিস। ভবিষ্যতে ‘সেনসেন’ নামক এক টেকনোলজি আবিষ্কার হয় যার মাধ্যমে মানুষে স্মৃতি ডাউনলোড বা আপলোড করা যায়। তাছাড়া অগমেন্টেশন, রোবোট, ড্রোনও সার্বজনীন হয়ে গেছে। গেমে আপনাকে নিলিনকে নিয়ে খেলতে হবে, যে একজন মেমোরি হান্টার। সে অ্যারোরিস্ট গ্রুপের হয়ে কাজ করে, যাদের লক্ষ্য পৃথিবীর বুক থেকে সেনসেনের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মেমোরাইজকে বিতাড়িত করা এবং সেনসেন ধ্বংস করা। গেমের প্রথমেই তার মেমোরি নিয়ে নেওয়া হয়। গেম যত অগ্রসর হয় তার সব কিছু মনে পড়তে থাকে। নিলিনের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো সে মানুষের স্মৃতি রিমিক্স করতে পারে। অর্থাত্ স্মৃতি বদলিয়ে সেটাকে অন্যরকম করে দেওয়া। তাছাড়া অ্যাক্রোবেটিক বৈশিষ্ট্য, ফাইটিং টেকনিক, মেমোরি ওভারলোড করতেও পারে। গেমটি সম্পর্কে আরও জানতে ভিজিট করুন :http://www.metacritic.com/game/pc/remember-me
পড়াশোনা
মি উ জি ক থি ও রি
আমাদের মাঝে অনেকে আছে যারা মিউজিক খুব পছন্দ করেন। বাদ্যযন্ত্রের প্রতি বেশ ভালোই আগ্রহ আছে। কিন্তু সময় সুযোগের অভাবে তার অনেকটাই পূরণ হয় না। আমরা ভাবি, যদি আমাদের বাসায় কেউ থাকত যে অবসরে মিউজিক শেখাতে পারত, তাহলে খুব ভালো হতো। আর মিউজিকের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত বাদ্যযন্ত্র গিটার নিয়ে সব ধরনের তথ্য ও গাইড পাওয়া যাবে একটি ওয়েবসাইটে। গিটার একটি বহুল পরিচিত এবং প্রচলিত বাদ্যযন্ত্র। যারা গিটার নিয়ে নাড়াচাড়া করেন তাদের জন্য খুব উপকারী সাইট এটি। এ সাইট থেকে আপনি বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারবেন। কিন্তু এমন নয় যে, এই সাইট দেখেই আপনি গিটারের বিষয় ওস্তাদ হয়ে যাবেন। এগুলো শুধুমাত্র আপনাকে সহযোগিতা করার জন্য, আর কিছু নয়। সাইটটি ভিজিট করার ঠিকানা :http://www.musictheory.net/exercises/fretboard
রেড কার্পেট
টে ই ল র সু ই ফ ট
গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী মার্কিন কান্ট্রি সংগীতশিল্পী, গায়ক-গীতিকার, রেকর্ড প্রযোজক এবং অভিনেত্রী তিনি। ২০০৬ সালে টেইলর সুইফট তার প্রথম গান ‘টিম ম্যাকগ’ প্রকাশ করে, এরপর প্রকাশিত হয় তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘টেইলর সুইফট’, যা রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা কর্তৃক প্লাটিনাম প্রত্যয়ন পায়। ২০০৮-এর নভেম্বরে টেইলর সুইফট তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ফিয়ারলেস প্রকাশ করে। ২০০৮-এর শেষে ‘ফিয়ারলেস’ ও ‘টেইলর সুইফট’-এর বিক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় যথাক্রমে ২.১ এবং ১.৫ মিলিয়ন ডলার। ‘ফিয়ারলেস’ অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ চার্টে ১১ সপ্তাহ ধরে (ধারাবাহিকভাবে নয়) শীর্ষস্থান দখল করেছিল, যা কোনো অ্যালবাম ২০০০ সালের পর পারেনি। আমেরিকার ফোর্বস ম্যাগাজিনের র্যাঙ্কিংয়ে সুইফটের অবস্থান ছিল ৬৯তম শক্তিমান তারকা, যার আয়ের পরিমাণ ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০০৯ সালে বিলবোর্ড সুইফটকে বর্ষসেরা শিল্পীর খেতাব প্রদান করে। ‘ফিয়ারলেস’ ২০১০ সালের বর্ষসেরা অ্যালবাম হিসেবে গ্র্যামি পুরস্কার অর্জন করে। ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যালবামগুলো সবমিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ কপি বিক্রি হয়, যা তাকে নিলসেন সাউন্ডস্ক্যানের জরিপ অনুসারে সে বছরের সবচেয়ে বেশি বিক্রিপ্রাপ্ত মার্কিন সংগীতশিল্পীর মর্যাদা দেয়। সম্প্রতি তার নতুন অ্যালবাম এবং সাম্প্রতিক কালের ট্যুর বেশ ভালো সাড়া ফেলেছে। তার কথা জানতে ভিজিট করুন :http://taylorswift.com/ সাইটটি।