ফাইনালের পর হাসবেন :এমিলি আগে ফাইনালটা খেলি :রিদন

মোহামেডান অধিনায়ক জাহিদ হোসেন এমিলি এবং ফেনীর সকার ক্লাবের অধিনায়ক আকবর হোসেন রিদন কাল বাফুফে ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এলেন একে অপরের কাঁধে হাত রাখে। তাদের আলাপচারিতায় দু’জনের সখ্যতা ফুটে উঠলো। কারণ দু’জন অনেক দিন ধরেই ফুটবল খেলছেন। দুই অধিনায়ক দুই দলের অস্ত্র। দু’জনেরই জার্সি নাম্বার দশ। তারা স্ট্রাইকিং পজিশনে থাকবেন জালে বল পাঠানোর জন্য। বয়সের পার্থক্য যাই হোক না কেন আজকের ফাইনালের আগে কাল সংবাদ মাধ্যমের কাছে একজন আরেক জনকে পাস মার্ক দিয়েই কথা বললেন। ট্রফি হাতে নিয়ে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্যামেরার ফ্ল্যাশগুলো জ্বলতে শুরু করলো। হাসি ছিল না কারো ঠোঁটে। কেন হাসি নেই ? এমিলি ট্রফি হাতে বললেন, ‘আজকের ফাইনালের পর চওড়া হাসি দেখাবো।’ ট্রফির আরেক প্রান্তে হাত রেখে আকবর হোসেন রিদন বললেন, ‘আগে ফাইনাল খেলাটা খেলতে দিন।’ এমিলি খেলেছেন ব্রাদার্স, আবাহনী ও শেখ জামাল হয়ে মোহামেডানে। জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকারের অভিজ্ঞতা অনেক। তার পাশে প্রতিপক্ষ আকবর হোসেন রিদনকে ধোয়ার মতো উড়িয়ে দেয়াও যাবে না। লক্ষ্মীপুরের ছেলে রিদন মোহামেডানে খেলে এসেছেন। মুক্তিযোদ্ধা ও শেখ রাসেলের জার্সিও গায়ে জড়িয়েছেন। কিভাবে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে গোল করতে হয় সেটা জানা আছে তার। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই রিদন প্রতিপক্ষকে জানান দিলেন, ‘যদি ভুল না হয় আমরা ৯ গোল করেছি এই টুর্নামেন্টে। এটাই বলে দেয় আমাদের আক্রমণভাগ শক্তিশালী।’ এমিলি বললেন, আমরা চ্যাম্পিয়ন হলে অধিনায়ক হিসাবে আমার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্যও যেমন ভালো হবে তেমনি এটা লিগের জন্য প্রেরণাদায়ক হবে। কারণ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে আমাদের অবস্থান খুব বেশি ভালো না।