স্কুল টিটিতে আকাশ লাবিবা চ্যাম্পিয়ন
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০১৪, ২২:০৩
স্কুল টেবিল টেনিস টুর্নামেন্টের বালক এককে আকাশ এবং বালিকা এককে লাবিবা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গতকাল ফাইনালে আর্মানিটোলা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের আকাশ ৩-০ গেমে আহমেদ বাওয়ানি একাডেমির রায়হানকে হারায়। বালিকা এককের লড়াইয়ে সাউথ ব্রিজ স্কুলের লাবিবা ৩-০ গেমে প্রয়াসের উর্মিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। বালক দলগত ফাইনালে আর্মানিটোলা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ৩-১ সেটে সেন্ট জোসেফ স্কুলকে এবং বালিকা দলগত ফাইনালে সানিডেল ৩-১ গেমে প্রয়াসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।
টিটি ফেডারেশন এবার স্কুল টিটির উদীয়মান খেলোয়াড় বাছাই করে তাদের পুরস্কৃত করেছে। বালকদের মধ্যে স্কলাসটিকার রাইয়ান এবং বালিকাদের মধ্যে আজিমপুর গালর্স স্কুলের রুকাইয়া হোসেন মিম পুরস্কার পেয়েছেন। ওয়ালটন স্মার্ট টিভি স্কুল টিটির এককে তৃতীয় হয়েছেন লালবাগ মডেল স্কুলের জুনায়েদ এবং চতুর্থ হয়েছেন আহমেদ বাওয়ানি একাডেমির সাইহাম। বালিকাদের মধ্যে তৃতীয় হন প্রয়াসের সুইটি এবং আজিমপুর গালর্স স্কুলের ফাতিন চতুর্থ হয়েছেন। বালক দলগত লড়াইয়ে তৃতীয় আহমেদ বাওয়ানি একাডেমি এবং চতুর্থ হয় স্কলাস্টিকা মিরপুর শাখা। বালিকা দলগত বিভাগে তৃতীয় হয়েছে আজিমপুর গালর্স স্কুল এবং চতুর্থ হয়েছে সুইড রমনা শাখা। এবারই প্রথম স্কুল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে সাথে নিয়ে সবার সাথে লড়াই করেছে প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়রা। যে কারণে তাদের জন্য চতুর্থ স্থান যেন অনেকটাই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেয়েও আনন্দ।
চৌদ্দ বছর ধরে স্কুল টেবিল টেনিস বন্ধ ছিল। সেটা পুনরায় শুরু হলো। কিন্তু এই শুরুটা যেন আবার বন্ধ না হয়ে যায়। স্কুল টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের এটাই দাবি, তারা নিয়মিত টিটি খেলতে চান। এই খেলাটার জন্য বড় মাঠের প্রয়োজন হয় না। ইনডোর গেমসটি একটা নির্ধারিত টেবিলের উপর চলে চার জনের লড়াই। খেলা শুরু হলে শেষ না হওয়া পর্যন্ত শারীরিক পরিশ্রমটাও হয়। টেবিল টেনিস খেলতে আসা স্কুল শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রাণের দাবি এখন থেকে নিয়মিত হউক স্কুল টিটি। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের জন্য এটাই প্রত্যাশা। গতকাল বিকালে খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।