আর্সেনাল আবার শীর্ষ চারে
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০১৪, ২২:০৫
টানা জয়ে উচ্ছ্বসিত ওয়েঙ্গার
আর্সেনাল নিজেদের মাঠে ওয়েস্ট হ্যামকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় জয় তুলে নেয়ায় তাতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন দলটির কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গার। এ জয় তাদের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষ চারের লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনে। এর আগে গানার্সরা গত শনিবার উইগান অ্যাথলেটিককে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করে।
ওয়েঙ্গারের দল গত মঙ্গলবার রাতের জয়টিতে বেশি উপকৃত হয়। কেননা এটি তাদের আবারো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতার জন্য প্রয়োজনীয় প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ চারের মধ্যে তুলে আনে দলটিকে। ওই খেলাটির পর আর্সেনাল ৩৪ খেলা শেষে ৬৭ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষ চারে অবস্থান নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আশা জিইয়ে রাখল। সমান খেলায় ৭৭ পয়েন্ট পেয়ে এক নম্বরে রয়েছে লিভারপুল।
এই জয়ের আগ পর্যন্ত এভারটন ছিল চতুর্থ স্থানে। এভারটন ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চাইতে অনেক পেছনে ছিল। কিন্তু এরপর দলটি টানা সাত খেলায় জিতে গানার্সদের সাথে চতুর্থ স্থানের লড়াইয়ে যোগ দেয়। এখনো দলটি গোল ব্যবধানে আর্সেনালের চাইতে এগিয়ে আছে।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলাটিতে ৪০ মিনিটে ম্যাট জার্বিসের গোলে এগিয়ে যায় অতিথিরা। এর চার মিনিট পরই স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান লুকাস পোডলস্কি। বিরতির পর ৫৫ মিনিটে ওয়েঙ্গারের দল এগিয়ে যায় ওলিভার জিরুদের গোলে। এরপর ৭৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে আর্সেনালকে সহজ জয় এনে দেন পোডলস্কি।
আর্সেনালের পারফর্ম্যান্সে সন্তুষ্ট ওয়েঙ্গার এ ব্যাপারে বলেন, ‘সামঞ্জস্যতাপূর্ণ খেলার মাধ্যমে আমরা আজ রাতে জয়ের রাস্তা তৈরি করেছি। প্রথমার্ধটা খুব কঠিন ছিল, কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বিরতির আগে সমতায় ফেরাটা। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা আমরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছি।’
ফরাসি এই কোচ আরো বলেন, ‘সর্বোপরি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও এটি ছিল খুব এবং খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি জয়। তাছাড়া শনিবারের পর এই জয় আমাদের জন্য স্বস্তিদায়ক। দুটি জয়ই ছিল আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক। আমরা এটি করেছি এবং এর ধারাবাহিকতা রাখতে চাই। সবাই ভাল করার জন্য চাপে রয়েছে এবং চাপ সামাল দেয়ার উত্তম পন্থা হলো নিজের পারফর্ম্যান্সের দিকে নজর দেয়া।’
তার আরো মত-‘যখন দল একটা খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যায়, তার সাথে যোগ হয় আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি। কারণ গোল আমাদের বিপক্ষে যায়। সে সময় অনুকূল ফল এবং কাঠিন্য দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়া দরকার।’