অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস-এর জন্য নতুন ফ্লিকার

ছবি শেয়ারিংয়ের জন্য ইয়াহু’র ফ্লিকারের জনপ্রিয়তা নতুন করে বলার কিছু নেই। ছবি রাখার জন্য এক টেরাবাইটের বিশাল অনলাইন স্টোরেজ দিয়ে ফ্লিকার এর জনপ্রিয়তাকে খানিকটা বাড়িয়েই নিয়েছে। তবে মোবাইল ডিভাইসের ক্ষেত্রে ফ্লিকারের জনপ্রিয়তা তুলনামূলকভাবে কমই। ইন্সটাগ্রামের তুলনায়ও পিছিয়ে রয়েছে এই সেবা। যে কারণে মোবাইল ডিভাইসে এগিয়ে আসার জন্য এবারে অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস ডিভাইসের জন্য ফ্লিকার নতুন করে সাজিয়েছে অ্যাপসকে। কেবল ডিজাইনেই নয়, নতুন নতুন ফিচারও যুক্ত করা হয়েছে এই অ্যাপ্লিকেশনে। এর মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দুই ফিচার হলো ফিল্টার ব্যবহারের সুযোগ এবং ভিডিও সমর্থন। এখন থেকে ফ্লিকারের এই স্মার্টফোন অ্যাপস ব্যবহার করে ছবি তোলার সময় এবং ছবি তোলার পরেও ১৪টি ভিন্ন ভিন্ন ফিল্টার প্রয়োগ করা যাবে। এ ছাড়া এই অ্যাপ্লিকেশনে এডিটিং টুলও রয়েছে, যার মাধ্যমে ছবি সম্পাদনার প্রয়োজনীয় কিছু কাজও করা যাবে। এই প্রথমবারের মতো ফ্লিকারের মোবাইল অ্যাপসে ভিডিও সমর্থনও যোগ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও ধারণ করা যাবে। এর প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্সটাগ্রাম সর্বোচ্চ ১৫ সেকেন্ড এবং টুইটারের ভাইন সর্বোচ্চ ৬.৫ সেকেন্ডের ভিডিও ধারণ সমর্থন করে থাকে। ফলে ফ্লিকার ব্যবহারকারীরা একটু বাড়তি সুবিধা পেতে যাচ্ছে এই আপডেটের মাধ্যমে। নতুন সংস্করণের ফ্লিকারের আরও ফিচারের কথা জানাতে ফ্লিকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট বার্নার্ডো হার্নান্দেজ এক ব্লগপোস্টে জানান, এই অ্যাপস থেকেই ফ্লিকারে রাখা সব ছবির মেটাডাটাতে অ্যাকসেস পাবেন। শুধু তাই নয়, কোন ছবি কোন ক্যামেরা দিয়ে তোলা হয়েছে, সেই তথ্যও জানা যাবে এখান থেকেই। ফ্লিকারের মোবাইল এই সংস্করণের সার্চ অপশনকেও আরও উন্নত করে তোলা হয়েছে। গাড়ি, সূর্যোদয়, সমুদ্র সৈকতের মতো এক হাজার বস্তু এবং দৃশ্যকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই চিহ্নিত করতে পারবে ফ্লিকারের এই অ্যাপ্লিকেশন। কোনো ছবি সহজে খুঁজে পাওয়ার জন্য ছবি তোলার স্থান, তারিখ এবং সময়ের হিসাবও রাখবে এই অ্যাপ্লিকেশন। ফলে ফ্লিকারে থাকা ছবিগুলো আগের চাইতে অনেক বেশি সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবেই স্মার্টফোনে ছবি ও ভিডিও সিনক্রোনাইজেশন সুবিধাও মিলবে। আর ডিজাইনের ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তাতে একটিমাত্রা কলাম থেকেই ছবি দেখা, শেয়ার করা ও মন্তব্য করার সুবিধা পাওয়া যাবে।