প্র জ ন্মে র ফে স বু ক
স্বপ্ন কুটির ক্রিয়েশন অ্যান্ড কালেকশন
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৩৬
ছোটবেলা থেকে মাকে দেখেছেন হাতের কাজ করতে। সেলাই আর নকশি কাঁথার কাজ। খুব ভালো লাগত ওই কাজগুলো। তখন থেকে কাজগুলো শেখা শুরু করেন। নিজের জন্যই করতেন। বিয়ের পর সংসার সামলাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আর জমজ ছেলের মা হয়ে সেই ব্যস্ততা আরেকটু বেড়ে যায়। তবে এর পাশাপাশি শখের কাজগুলোও চালিয়ে যাচ্ছেন। ফেসবুকে কিছু বন্ধু পেলেন যারা তার কাজের কথা শুনে আর ছবি দেখে খুব উত্সাহ দিল ফেসবুক পেজ খুলতে। তাদের উত্সাহ পেয়ে খুললেন ‘স্বপ্ন কুটির ক্রিয়েশন অ্যান্ড কালেকশন’। সেটা ২০১২-এর ২১ মার্চের কথা। সেই শুরু। এরপর দুই বছর হয়ে গেল। এই গল্পটি হচ্ছে সাবিহা সুলতানার। তিনি কাজ করে যাচ্ছেন এবং নিজেকে আরও বিকশিত করার চেষ্টা করছেন। সাবিহা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছেন। খুলনা সরকারি করনেশন বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি আর খুলনা সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। তার অনলাইন শপে তিনি নকশি কুশন, কভার, লেস , ফুল, ব্লক ড্রেস, বিছানার চাদর ইত্যাদি বিক্রয় করে থাকেন। ফেসবুকে পেজ ওপেন করার দেড় মাস পর প্রথম অর্ডার পান। সেই থেকে ব্যস্ততা শুরু। সাবিহা সুলতানা জানালেন, এখন অনেক কাজের চাপে থাকতে হয়। অনেক ভালো কাস্টমার তিনি পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোনো খারাপ অভিজ্ঞতা হয়নি। বাংলাদেশে অনলাইন বিজনেস যেমন বাড়ছে, তেমনি ক্রেতাও বাড়ছে। ক্রেতার সাথে বিক্রেতার পারস্পারিক সমঝোতাই অনলাইন বিজনেসের সবচেয়ে বড় শর্ত। অনলাইন বিজনেসের সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের ক্রিয়েটিভ কাজগুলোকে খুব সহজে সবার মাঝে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়। অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করা যায়। বর্তমান প্রজন্ম এটাকে পেশা হিসেবে নিতে পারে খুব সহজে। হতাশায় না থেকে বরং নিজের ভেতরের ক্রিয়েটিভিটিকে কাজে লাগিয়ে সে খুব সহজে আয় করতে পারে বলে জানালেন তিনি। তার ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা হচ্ছে তার এই ব্যবসাকে আরও বড় করে তোলা। ঘরে বসে থাকা মেয়েদেরকে তিনি কাজে লাগাতে চান। বাংলাদেশের সকল অনলাইন পেজকে নিজের অনুপ্রেরণা মনে করেন তিনি।